
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ বাঙালি বলে কথা মিষ্টির জন্য তো একটা আলাদা আবেদন থাকতেই হবে। অনেকেই খাবারের শেষপাতে মিষ্টি খেতে পছন্দ করেন, আবার অনেকে এমনিই এমনিই খান। যাদের মিষ্টির প্রতি একটু ঝোঁক বেশি, বলা হয় তাদের স্যুইট টুথ রয়েছে।
অনেকেই জানেন না হয়ত মিষ্টির প্রতি একটা আলাদাই অনুভূতি রয়েছে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর, শুধু মিষ্টি নয়, চকোলেট খেতে খুব পছন্দ করেন মুখ্যমন্ত্রী। ঘরোয়া আড্ডায় নিজের মিষ্টি খাওয় প্রসঙ্গে দিদি নিজে বলেছেন এক একবারে আটটা-দশটা চকোলেটও খেয়ে নেন তিনি।তবে বিদেশী চকলেট কিন্তু তাঁর পছন্দ নয়, তাঁর পছন্দ একেবারে দেশীয় চকলেট বা বলা যেতে পারে যে চকলেট দিয়ে ভারতবাসীর অনুভূতিকে বর্ণনা করা যায় সেই ক্যাডবেরি এক্লেয়ার্স।
তবে সেই চকলেট খাওয়া থেকে এবার নিজেকে বিরত করলেন মাননীয়া। শোনা যায় তাঁর ব্যাগে নাকি মুঠোমুঠো এই এক্লেয়ার্স পাওয়া যেত। শুরুর দিকের কথা তাঁর কাঁধে একটা কাপড়ের ঝোলা ব্যাগ থাকত , সেই ব্যাগ হাতরালেই নাকি মিলত চকলেট। শোনা যায় দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ বা রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে গেলেও সঙ্গে করে এক্লেয়ার্স নিয়ে যেতেন মমতা। তার পর তাঁদের ঘরে ঢুকেই মুঠো মুঠো এক্লেয়ার্স দিতেন তিনি।
তবে চকোলেটের এই ক্রেভিংয়ের পিছনে বিজ্ঞানসম্মত কারণ রয়েছে।চিকিৎসকরা অনেকে বলেন শরীরে ম্যাগনেশিয়াম, ক্রোমিয়াম বা ট্রিপ্টোফ্যানের ঘাটতির কারণে এই ক্রেভিং হয়ে থাকে। উল্লিখিত খনিজের ঘাটতি মিটলে এই ক্রেভিং ও অনেকটাই প্রশমিত হয়ে যায়।
