প্রকাশ মন্ডল হুগলি ২৯ আগস্ট: দেবী দুর্গার কাছে সন্ধ্যা প্রদীপ জ্বালাতে গিয়ে নিরুদ্দেশ হয়ে যান রায় জমিদার বাড়ির কন্যা, পরে দেবী দুর্গার মুখে দেখা গিয়েছিল রায় কন্যার পরনের কাপড়ের টুকরো তার পর থেকেই মাটির দুর্গা প্রতিমা তৈরি বন্ধ করে পটের দুর্গা পূজার প্রচনল করেন রাজবল হাটের কুলিয়ারা গ্রামের রায় পরিবার। কথিত আছে পূজায় কোনো বেনিয়ম হওয়ার কারণে রায় কন্যা কে ভক্ষণ করেছিলেন মা। হুগলি জেলায় এক মাত্র পটের দুর্গা পূজার আয়োজন হয় রাজবল হাটের কুলিয়ারা গ্রামের রায় বাড়িতে। প্রায় চারশো বছর আগে দুর্গা পূজার সূচনা করেছিলেন রায় পরিবারের সদস্যরা।সেই সময় বর্ধমান মহারাজার অধীনে জাইগিদার ছিল রায় পরিবার। রাজবল হাটের রাজবল্লভী মায়ের পূজার নিয়ম মেনে পূজিত হন রায় বাড়ির পটের দুর্গা। যুগ যুগ ধরে এলাকার মালাকাররা শোলা দিয়ে তৈরি করে দেন পট সেই পটের উপর দুর্গার দশভুজার রূপ ফুটিয়ে তোলেন এলাকার চিত্র শিল্পীরা।মহালয়ার দিন থেকেই শুরু হয়ে যায় পূজা। সপ্তমী, অষ্টমী এবং নবমিতে এখনো চালু আছে বলি প্রথা। দুর্গা দালানের পাশেই নির্মাণ করা হয়েছিল নারায়ণের মন্দির, মন্দিরের পাশেই আছে পুকুর এবং পুকুরের পারে আছে শিব আর শিবিক্ষার মন্দির। বর্তমানে রায় পরিবারের সদস্য সংখ্যা প্রায় দেড়শ জন।পূজার সময় একত্রিত হয়েই পূজার আয়োজনে সামিল হন সকলে। বর্তমানে পটের দুর্গা মন্দির চত্বরে এবং মন্দির চত্বর এলাকাকে সৌন্দর্যয়ান করা হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।