Breaking News
 
Chinmoy Prabhu: চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবিতে কলকাতায় ফের বিক্ষোভ, সন্ন্যাসীদের মিছিলে পুলিশি বাধায় উত্তেজনা Flydubai Attack: ৯/১১-র পর বিমানে ‘অস্ত্র’ নিয়ে বড় বদল, সেই নিয়মের সুযোগেই জঙ্গি হামলা? প্রকাশ্যে সরকারি বিবৃতি Siliguri Cow Smuggling Row: গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মৃত্যু যুবকের, ভাঙচুর একাধিক গাড়ি, উত্তেজনা WB Special Ration Package: পুজোর আগে রেশনে ‘ফেস্টিভ প্যাকেজ’! অর্ধেক দামে ময়দা-চিনি-সুজি, জানুন বিস্তারিত Suvendu on Mamata : নন্দীগ্রামে মমতার চোট নিয়ে ফের তদন্তের নির্দেশ, রিপোর্ট হাতে শুভেন্দু, ভোটের পর শুরু তদন্ত প্রক্রিয়া Bayron Biswas: বাড়িতেই অগ্নিদগ্ধ ঋতব্রতপন্থী বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস, শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক

 

Festival and celebrations

1 year ago

Durga Puja 2025:ভিনরাজ্যে কাজের বরাত মিললেও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন অশোকনগরের ঢাকিরা

insecurity of migrant workers
insecurity of migrant workers

 

দুরন্তবার্তা ডিজিটাল ডেস্ক :বাংলা ভাষা শুনলেই বাংলাদেশি ভেবে সন্দেহ! ভিনরাজ্যে পরিযায়ী বাঙালি শ্রমিকদের উপর চূড়ান্ত হেনস্তার অভিযোগ ঘিরে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এমন পরিস্থিতিতেই সামনে এসেছে দুর্গাপুজো। ঢাক বাজানোর বরাত মিললেও অশোকনগরের ঢাকিদের বুক কাঁপছে বাইরে যাওয়ার নাম শুনলেই। উপার্জনের আশায় ভিনরাজ্যে পা বাড়িয়ে বিপদে পড়তে হবে না তো—এই আতঙ্কই ঘুরপাক খাচ্ছে তাঁদের মনে।

অশোকনগর কয়াডাঙার নাট্যপাড়ার ঢাকি দলে সদস্য সংখ্যা কমবেশি ৭০। ওই মহিলাদের মধ্যে কেউ কেউ অশোকনগরের বাসিন্দা। কারও বা বাস মছলন্দপুর, আটঘড়া, কুমড়া-কাশিপুর এলাকায়। এঁদের সকলের বিকল্প পেশা ঢাক বাজানো। বছরের বাকি সময়টা কেউ বিড়ি বাঁধেন, কেউ সেলাইয়ের কাজ করেন, কেউবা পাট ঝারাইয়ের কাজ করেন। তাতে আয় সামান্য। সারাবছর খেয়েপরে বাঁচাই যেন দায়। একটু বেশি উপার্জন হলে সংসারের বাকি লোকগুলোর মুখে হাসি ফুটবে। পরিবারের খুদে সদস্যরা পাবে নতুন জামা, জুতো। তাই তো পুজোর সময় ঢাক নিয়ে তাঁরা বেরিয়ে পড়েন। পাড়ি জমান ভিনরাজ্যে। শরতের নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা দেখলেই জোরকদমে শুরু হয় ঢাক বাজানোর অনুশীলন। এবারও অনুশীলনে কোনও ছেদ নেই। দক্ষিণ দিল্লি, মুম্বইয়ের ভিটি, অসম থেকে ঢাক বাজানোর বায়না পেয়েছেন। আয়ও ভালোই হওয়ার কথা। বাধা শুধু ভিনরাজ্যে বাঙালি ‘হেনস্তা’র আতঙ্ক।

পরিযায়ীদের ‘দুর্দশা’র কথা যত শুনছেন, তাঁরা যেন ততই আঁতকে উঠছেন। ঢাকিদের আশঙ্কা, ভিনরাজ্যে ঢাক বাজাতে গিয়ে বাংলা ভাষায় কথা বললে তাঁদেরও হয়তো হেনস্তার শিকার হতে হবে। ভিনরাজ্যে যাওয়ার আগে বারবার পুজো কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন ঢাকিরা। পুজো কমিটির সদস্যরা আশ্বস্ত করছেন ঠিকই, তবে হেনস্তার আশঙ্কা কাটছে কই? এক ঢাকি দলের পরিচালক বলেন, “ভিনরাজ্যে যেভাবে বাঙালিদের উপর অত্যাচারের খবর শুনছি, তাতে আমরা আতঙ্কিত। আমি দুশ্চিন্তাতেই আছি। বায়না নিলেও পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি।” অন্য ঢাকিরা জানালেন, “অভাবের সংসারে ঢাক বাজিয়ে উপরি উপার্জনের জন্য পুজোর দিকে তাকিয়ে থাকি। রোজগার ভালোই হয়। কিন্তু ভিনরাজ্যে যেভাবে অত্যাচারের খবর পাচ্ছি, তাতে আমাদেরও যেতে ভয় লাগছে।” অনুশীলনে ঢাকে বোল তুলছেন ঠিকই। তবে শেষমেশ ভিনরাজ্যে যাওয়া হয় কিনা, তা নিয়ে মনের ভিতর উথালপাথাল ঢাকিদের।

You might also like!