Breaking News
 
Vivekananda Merit Scholarship :শিক্ষাক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ, মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য চালু হল বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ Chief Minister Suvendu Adhikari : র্নীতি ও কাটমানি খতিয়ে দেখতে কমিশন গড়লেন শুভেন্দু, সঙ্গে নারী নির্যাতন নিয়েও আলাদা কমিশন CM Suvendu Adhikari starts Janatar darbar : সল্টলেকে বিজেপি দফতরে শুভেন্দুর ‘জনতার দরবার’, জনতার সমস্যা শুনে মিলল স্বস্তি Suvendu Adhikary: “কাশ্মীরে বন্ধ হয়েছে, এখানেও হবে”—পার্ক সার্কাসে দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি ,গ্রেফতার ৪০ Suvendu Adhikari :রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড়, আর জি কর ইস্যুতে স্বাস্থ্যসচিবকে জরুরি তলব মুখ্যমন্ত্রীর Annapurna Bhandar : অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিমে নতুন ঘোষণা, ১ জুন থেকেই ৩ হাজার টাকা পাবেন নির্দিষ্ট উপভোক্তারা

 

Country

1 year ago

Asam Chief Minister : একটি জাতির ভবিষ্যৎ গঠনে শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান অনস্বীকাৰ্য, তাঁদের শ্রদ্ধা জানাই, বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী

Asam Chief Minister (symbolic picture)
Asam Chief Minister (symbolic picture)

 

ডিব্রুগড় (অসম), ৫ সেপ্টেম্বর : একটি জাতির ভবিষ্যৎ গঠনে শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাঁদের এই অবদান অনস্বীকার্য। শিক্ষক দিবসে দেশের সমস্ত শিক্ষকদের প্রণাম জানিয়ে তাঁদের অমূল্য অবদানের প্রশংসা করে তাঁদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা। আজ বৃহস্পতিবার ডিব্রুগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য পেশ করছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ড. শর্মা। তিনি বলেন, 'আজ পবিত্র শিক্ষক দিবস। দেশের বিখ্যাত শিক্ষাবিদ ও রাষ্ট্রপতি ড. সর্বেপল্লি রাধাকৃষ্ণণের জন্মদিনে এই দিনটি পালিত হয়। এই শুভ দিনে আমি পূজ্য রাধাকৃষ্ণণকে আমার শ্রদ্ধা জানাই। দেশের প্রত্যেক শিক্ষককে তাঁদের অমূল্য অবদানের জন্য শ্রদ্ধা জানাই।’

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা অসমের সমস্ত শিক্ষকদের উন্নয়নের একটি নিরাপদ ও স্থিতিশীল পথ দিয়ে তাঁদের অবদানকে সম্মান করি। বলেন, অতি সম্প্রতি আমরা ২৪ হাজার চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকের চাকরি নিয়মিত করেছি, যা তাঁদের সমৃদ্ধির সুযোগ দিয়েছে। তাঁদের মনোবল বাড়িয়েছে। এতে আমাদের বিদ্যালয়ে পাঠদানের মান উন্নত হবে।

মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের মহান মহিলা ইন্দিরা মিরিকে স্মরণ করে বলেছেন, তিনি শিক্ষাকে শক্তিশালী করতে জনসচেতনতা গড়েছেন। ইন্দিরা মিরি প্রচুর প্রতিভা এবং সীমাহীন অধ্যাবসায়ের দ্বারা নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তিনি তৎকালীন নর্থ-ইস্ট ফ্রন্টিয়ার এজেন্সি (এনইএফএ) শিক্ষার সম্প্রসারণের জন্য একজন শিক্ষা কর্মকর্তা ছিলেন। শুধু অসম নয়, সমগ্র উত্তর-পূর্বাঞ্চল শিক্ষা ক্ষেত্রে তাঁর অবদান সবসময় মনে রাখবে। এমন একটি শুভ উপলক্ষ্যে এই মহান নারীর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই।’ উল্লেখ্য, ইন্দিরা মিরি ১৯১০ সালে তদানীন্তন অসমের রাজধানী শিলঙে (অধুনা মেঘালয়) জন্মগ্ৰহণ করেছিলেন। তাঁর মৃত্যু হয়েছিল ২০০৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর। বেথুন স্কুল থেকে তাঁর শিক্ষা শেষ করেন এবং কলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে বিএ সম্পন্ন করেছিলেন। ১৯৭৭ সালে দেশের মর্যাদাপূর্ণ পদ্মশ্রী পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন ইন্দিরা মিরি।


You might also like!