Breaking News
 
Abhishek Banerjee: জন্মদিনের মধ্যরাতে অভিষেকের বাড়ির সামনে উত্তেজনা, ‘চোর’ স্লোগান ঘিরে সংঘর্ষ! ভোর পর্যন্ত বাড়ির বাইরে সাংসদ Bihar Encounter: বিহারে পুলিশের সঙ্গে দুষ্কৃতীদের গুলির লড়াই; নিহত ৩ দুষ্কৃতী, আহত এক পুলিশ আধিকারিক HC on KMC Elections: কলকাতা পুরসভার নির্বাচনী নির্ঘণ্ট জারিতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাই কোর্টের CM Suvendu Adhikari: ‘কাজ বন্ধ করলে জেলে ঢোকাব’, ধর্মঘট ও শ্রমিক বিক্ষোভ নিয়ে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর CM Suvendu Adhikari: ‘জমিদাতাদের মান্যতা দেবে সরকার’, জমি অধিগ্রহণ নিয়ে বড় বার্তা শুভেন্দুর, বিঁধলেন বাম-তৃণমূলকে CM Suvendu Adhikari: ‘তোলাবাজি করলে ১৫ মিনিটেই গ্রেপ্তার’, শিল্পপতিদের অভয় দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

 

Ram Mandir: রামমন্দির উদ্বোধনের আগে কৃচ্ছসাধন মোদীর

Modi's bowing before the inauguration of Ram Mandir (File Picture)
Modi's bowing before the inauguration of Ram Mandir (File Picture)

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ আগামী ২২ জানুয়ারি বহু প্রতীক্ষার পর উদ্বোধন হতে চলেছে রাম মন্দির। এই উপলক্ষে ওইদিন রাজসূয় যজ্ঞের আয়োজন অযোধ্য়ায়। ভগবান রামলালাকে তাঁর সিংহাসনের উপবিষ্ট করা হবে ওই দিন। ২২ জানুয়ারি রাম মন্দির উদ্বোধন হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরে। ওই দিন একাধিক আচার বিধি পালন করবেন প্রধানমন্ত্রীও। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কঠিন আচারবিধি পালন করবেন ১২১ ব্রাহ্মণও। অনুষ্ঠানের মূল ভূমিকা পালন করবেন মোদী। প্রাণপ্রতিষ্ঠার দিন পর্যন্ত শাস্ত্রে নির্দেশিত সমস্ত নিয়ম এবং তপস্যা কঠোরভাবে পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে ১১ দিনের বিশেষ রীতি-নিয়ম পালন শুরু করেছেন। দেশবাসীর উদ্দেশে বিশেষ অডিও বার্তাও দিয়েছেন তিনি।

আচারের কঠিন নিয়ম পালন

তীর্থক্ষেত্রের পুরোহিত পণ্ডিত দুর্গা প্রসাদ জানিয়েছেন, আচার বিধি পালন মোটেও মুখের কথা নয়। বিষয়টি কৃচ্ছসাধনের। যিনি অনুষ্ঠানে মূল ভূমিকা গ্রহণ করেন তাঁকে ব্রহ্মচর্য পালন করতে হয়। কঠোর এই নিয়মে খাওয়া-দাওয়া, ঘুম খুবই পরিসীমিত। নিয়মের কঠোর আবর্তনে গোটা বিষয়টি সম্পন্ন করতে হয়। যিনি বা যাঁরা ব্রহ্মচর্য পালন করেন তাঁরা সুন্দর বিছানায় ঘুমোতে পারেন না। ঘুমানোর জন্য মাটিতে একটি কুশের আসন রাখা হয় যার উপর আচার পালনকারীরা ঘুমোন। ২৪ ঘণ্টায় মাত্র চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা ঘুমানোর সময়।

যিনি ব্রহ্মচর্য পালন করেন তাঁকে সাত্ত্বিক আহার গ্রহণ করতে হবে। কোনও আমিষ খাবার পেতে পারবেন না তিনি। এক্ষেত্রে কন্দযুক্ত সবজি খেতে পারেন তাঁরা। ব্রহ্মচর্য পালনের সময় সম্পূর্ণ নিরামিষ খাবার খেতে হয় তাঁদের। এটি আচারের অন্যতম অংশ। সকালে ব্রহ্মমুহুর্তে যজমান ও পণ্ডিত উভয়কেই ঘুম থেকে উঠতে হয়। স্নানের পর শুরু হয় পূজার অনুষ্ঠান। যোগব্যায়ামও অন্তর্ভুক্ত। ধ্যান ও উপাসনার প্রতি বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।

পোশাক পরার আগেও সংযম করতে হয়। সাদা পোশাককে আদর্শ বলে বিবেচনা করা হয়। তবে যেহেতু প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ প্রোটোকোল রয়েছে তাই দিনের বেলা কাজের উপযোগী পোশাক পরবেন তিনি। নিয়ম অনুযায়ী সময় পেলেই মন্ত্র জপ করতে হয়। ব্রহ্মচর্য পালনের সময় সাধারণত গায়ত্রী মন্ত্রই জপ করার নিয়ম। গায়ত্রী মন্ত্রের জপের সঙ্গে ইষ্ট দেবতার পুজোও করা হয়।


শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…