Breaking News
 
Abhishek Banerjee: জন্মদিনের মধ্যরাতে অভিষেকের বাড়ির সামনে উত্তেজনা, ‘চোর’ স্লোগান ঘিরে সংঘর্ষ! ভোর পর্যন্ত বাড়ির বাইরে সাংসদ Bihar Encounter: বিহারে পুলিশের সঙ্গে দুষ্কৃতীদের গুলির লড়াই; নিহত ৩ দুষ্কৃতী, আহত এক পুলিশ আধিকারিক HC on KMC Elections: কলকাতা পুরসভার নির্বাচনী নির্ঘণ্ট জারিতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাই কোর্টের CM Suvendu Adhikari: ‘কাজ বন্ধ করলে জেলে ঢোকাব’, ধর্মঘট ও শ্রমিক বিক্ষোভ নিয়ে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর CM Suvendu Adhikari: ‘জমিদাতাদের মান্যতা দেবে সরকার’, জমি অধিগ্রহণ নিয়ে বড় বার্তা শুভেন্দুর, বিঁধলেন বাম-তৃণমূলকে CM Suvendu Adhikari: ‘তোলাবাজি করলে ১৫ মিনিটেই গ্রেপ্তার’, শিল্পপতিদের অভয় দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

 

Agra News: উত্তর প্রদেশে স্ত্রীর মৃত্যু ১২ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু স্বামীর!

In Uttar Pradesh, the death of the wife within 12 hours of the death of the husband!
In Uttar Pradesh, the death of the wife within 12 hours of the death of the husband!

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ উত্তর প্রদেশে এক মর্মান্তিক ঘটনার নেপথ্যে জানা যাচ্ছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে স্ত্রীর মৃত্যুর আঘাত সইতে না পেরে ১২ ঘণ্টার মধ্য়ে স্বামীর মৃত্য়ু। এবং একইসাথে শেষকৃত্য সম্পন্ন হল দুজনের। ফতেহাবাদের জোনেশ্বর ঘাটে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় তাঁদের।

মৃত ব্যক্তির নাম কাশীরাম। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে স্ত্রী প্রয়াত হন। স্ত্রীয়ের মৃত্যতে ভেঙে পড়েন কাশীরাম। ১২ ঘণ্টার মধ্য়েই মৃত্যু হয় তাঁরও। অকস্মাৎ দুইজনের প্রয়াণে পরিবারে শোকের ছায়া। পরিবার-পরিজনদের কথায়, ওঁরা মৃত্যুর আগেও বলতেন মরলে একসঙ্গে মরব। সেই কথাই যেন অক্ষরে অক্ষরে মিলে গেল।

বছর ৪০ আগে কমলেশ ওরফে মালুকির (৫৮) সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল নাগলার বাসিন্দা কাশীরামের (৬৫)। বিয়ের ১০ বছর পর, কমলেশ তাঁর স্বামী কাশীরামের সঙ্গে আম্বেদকর নগরে তার মায়ের বাড়িতে থাকতে শুরু করে। অন্য়ান্য় দিনের মতো সোমবারটাও শুরু হয়েছিল। তবে সেই দিনেই এমন করে হঠাৎ বিপদের কালো মেঘ নেমে আসবে তা টের পায়নি কেউ। সোমবার সকালে প্রতিদিনের মতো ঘরের কাজ করেছিলেন কমলেশ। আচমকাই তাঁর বুকে ব্যথা শুরু হয়। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয় কমলেশের। কমলেশের ভাই বিজেন্দ্র দেরাদিনে সরকারি স্কুলের শিক্ষক। বোন কমলেশের মৃত্যুর খবর জানানো হয় বিজেন্দ্রকে। বিজেন্দ্র বাড়ি ফিরলেই কমলেশের শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে এমনটাই ভেবেই সকলে অপেক্ষা করছিলেন। বাড়িতেই ছিল মৃতদেহ। এদিকে ওই দিন কমলেশের মৃত্যর ১২ ঘণ্টা পর রাতের দিকে কমলেশের স্বামী কাশীরামের অসুস্থ হয়ে পড়েন আচমকা। রাত ১০টার দিকে তাঁরও মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার দু'জনের শেষকৃত্যু সম্পন্ন হয় একসঙ্গে। এমন ঘটনায় শোকে বিহ্বল গোটা গ্রামও।

প্রসঙ্গত, গত বছর জুলাই মাসের দিকে একই রকম ঘটনা ঘটেছিল হুগলি জেলায়। স্ত্রীর মৃত্যুর ১২ ঘণ্টার মধ্যে মারা যান স্বামী। ঠিক যে ভাবে স্ত্রী মারা গিয়েছিলেন সেই ভাবেই মৃত্য়ু হয় স্বামীরও। রাতের দিকে অকস্মাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বাড়িতেই মৃত্যু হয় বছর ৫৪ এর মালঞ্চ দাসের। সৎকারের ব্যবস্থা করছেন পড়শি আত্মীয়রা। হঠাৎ সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হন স্বামী প্রণব দাস। তাঁকে স্থানীয় একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। স্ত্রীর মত একই ভাবে হৃদরোগে মৃত্যু হয় বছর ৫৭-র প্রণবের। এক প্রতিবেশী জানান, দম্পতির মধ্যে গভীর ভালোবাসা ছিল। স্ত্রী বিয়োগ মানতে পারেননি প্রণব। দম্পতির মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে এলাকায়। দম্পতির এক ছেলে আছে।উত্তরপাড়া শিবতলা ঘাটে দম্পতির দেহ দাহ করা হয় একসঙ্গে।

শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…