Breaking News
 
Abhishek Banerjee: জন্মদিনের মধ্যরাতে অভিষেকের বাড়ির সামনে উত্তেজনা, ‘চোর’ স্লোগান ঘিরে সংঘর্ষ! ভোর পর্যন্ত বাড়ির বাইরে সাংসদ Bihar Encounter: বিহারে পুলিশের সঙ্গে দুষ্কৃতীদের গুলির লড়াই; নিহত ৩ দুষ্কৃতী, আহত এক পুলিশ আধিকারিক HC on KMC Elections: কলকাতা পুরসভার নির্বাচনী নির্ঘণ্ট জারিতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাই কোর্টের CM Suvendu Adhikari: ‘কাজ বন্ধ করলে জেলে ঢোকাব’, ধর্মঘট ও শ্রমিক বিক্ষোভ নিয়ে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর CM Suvendu Adhikari: ‘জমিদাতাদের মান্যতা দেবে সরকার’, জমি অধিগ্রহণ নিয়ে বড় বার্তা শুভেন্দুর, বিঁধলেন বাম-তৃণমূলকে CM Suvendu Adhikari: ‘তোলাবাজি করলে ১৫ মিনিটেই গ্রেপ্তার’, শিল্পপতিদের অভয় দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

 

Dwigvijay Singh and Jairam Ramesh:সিএএ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন দ্বিগ্বিজয় সিং, কেন্দ্রকে তোপ জয়রাম রমেশের

Dwigvijay Singh and Jairam Ramesh
Dwigvijay Singh and Jairam Ramesh

 

নয়াদিল্লি, ১২ মার্চ : দেশে চালু হয়ে গিয়েছে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ)। আর তা নিয়ে এবার মুখ খুললেন কংগ্রেসের দুই নেতা। মঙ্গলবার সিএএ চালু প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন কংগ্রেস নেতা দ্বিগ্বিজয় সিং ও জয়রাম রমেশ। দ্বিগ্বিজয় সিং বলেছেন, "সিএএ কী? কাকে নাগরিকত্ব দিতে হবে- তার জন্য তাঁরা আইন এনেছে। কিন্তু এর কোনও প্রয়োজন ছিল না। কেউ চাইলে কেন্দ্র এখনও নাগরিকত্ব দিতে পারে। তাহলে, সিএএ-র কী দরকার ছিল?"

আবার কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ বলেছেন, "এই নিয়ম আনতে তাঁদের ৪ বছর এবং ৩ মাস লেগেছে। বিলটি ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে পাস হয়েছিল। আইনটি ৩-৬ মাসের মধ্যে তৈরি করা উচিত ছিল। মোদী সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে ৯টি মেয়াদের মেয়াদ চেয়েছিল এবং ৪ বছর ৩ মাস সময় নিয়েছিল। এগুলি শুধু মেরুকরণের জন্য - বাংলা ও অসমের নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য। তাঁরা যদি সততার সঙ্গে এটা করে থাকে, তাহলে ২০২০ সালে কেন আনেনি? তারা এখনই নিয়ে আসছে, নির্বাচনের এক মাস আগে।"

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে সংসদের দু’কক্ষে পাশ হওয়ার পরে রাষ্ট্রপতিও অনুমোদন দিয়েছিলেন সিএএ বিলে। কিন্তু এত দিন ধরে সিএএ কার্যকর করা নিয়ে কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি। চার বছর পরে চালু হল সিএএ। দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় আসার পর ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর সিএএ পাশ করিয়েছিল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার। ওই আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মতো মুসলিম ধর্মাবলম্বী দেশ থেকে যদি সে দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে এ দেশে আশ্রয় চান, তা হলে তা দেবে ভারত। সংসদের দু’কক্ষে পাশ হওয়ার পরে দেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দও অনুমোদন দিয়েছিলেন সিএএ বিলে।


শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…