
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-কে হত্যার হুমকি ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পাঞ্জাব ও হরিয়ানায়। নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে পাঠানো একটি ইমেলে এই হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শুধু প্রধানমন্ত্রীই নন, ওই তথাকথিত ‘হিট লিস্ট’-এ রয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর এবং দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও। ইমেলে দাবি করা হয়েছে, আগামী ২৪ এপ্রিল, শুক্রবার পাঞ্জাব ও হরিয়ানার বিভিন্ন রেললাইনে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। এর ফলে ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি পাঞ্জাবের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শহর—লুধিয়ানা, অমৃতসর, ভাটিন্ডা এবং ফিরোজপুরে হামলার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
সীমান্তবর্তী রাজ্য পাঞ্জাবে বরাবর সক্রিয় পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। মাদক থেকে অস্ত্রপাচার, চরবৃত্তির অভিযোগ গ্রেপ্তারি লেগেই থাকে। গত এক বছরে একাধিকবার পাঞ্জাব সীমান্তে পাকিস্তানি ড্রোন গুলি করে নামিয়েছে ভারতীয় সেনা। এই অবস্থায় হুমকি ইমেলটিকে হালকা ভাবে নিচ্ছে না পাঞ্জাব ও হরিয়ানা দুই রাজ্যের পুলিশ এবং অন্য নিরাপত্তা সংস্থাগুলি। জরুরি ভিত্তিতে সতর্কতা জারি হয়েছে দুই রাজ্যেই। গুরুত্বপূর্ণ রেল স্টেশনগুলিতে খানাতল্লাশি শুরু হয়েছে। রেলের ট্র্যাকগুলিতে অতিরিক্ত নজরদারি চালাতে বলা হয়েছে আরপিএফকে। দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদেরও সতর্ক করা হয়েছে।
এই প্রথম নয়, এর আগে একাধিকবার মোদিকে খুনের হুমকি ইমেল, ফোন এসেছে। গত বছরের নভেম্বর মাসে মোদিকে খুনের হুমকি ফোন পায় মুম্বই পুলিশ। মুম্বইয়ের প্রধান পুলিশ কন্ট্রোল রুমে এক মহিলা ফোন করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে খুনের ছক কষা হচ্ছে। হত্যার অস্ত্রও প্রস্তুত করা হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয়ে ওঠে পুলিশ। যদিও কলারকে চিহ্নিত করা যায়নি। ভবিষ্যতে কোনও বিপদও ঘটেনি। ২০২২ সালেও ২০টি শহরে নাশকতার হুমকি ইমেল পায় এনআইএ। সেই সময়েও মোদিকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়।
