Health

1 hour ago

Chickenpox: বসন্ত মানেই আতঙ্ক নয়, সচেতনতাই সুস্থ থাকার আসল চাবিকাঠি

Chickenpox
Chickenpox

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: শীতের বিদায় আর বসন্তের আগমনের সঙ্গে সঙ্গেই বাংলায় বাড়তে শুরু করেছে বসন্ত বা চিকেনপক্সের আশঙ্কা। প্রতি বছরই এই সময়টাতে ‘ভ্যারিসেলা জোস্টার’ ভাইরাসের দাপট চোখে পড়ে। সংক্রমণ ছড়ায় খুব দ্রুত, এক বাড়ি থেকে আরেক বাড়িতে। শিশু থেকে বয়স্ক— কেউই এই রোগের বাইরে নন।

চিকিৎসকদের মতে, চিকেনপক্স আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একটি ‘সেলফ লিমিটিং ডিজিজ’। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই রোগ সেরে ওঠে। তবে তা বলে অবহেলা একেবারেই নয়। সঠিক সময়ে সতর্কতা ও যত্ন না নিলে জটিলতা বাড়তে পারে। বিশেষ করে শিশু, প্রবীণ এবং যাঁদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাঁদের ক্ষেত্রে বাড়তি সাবধানতা জরুরি।

* সজনে ও নিমের জাদুকরী গুণ-

প্রাচীন কাল থেকেই বসন্ত মোকাবিলায় সজনে শাক ও ডাঁটার ব্যবহার হয়ে আসছে। আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞানও এতে সিলমোহর দিয়েছে।

সজনে শাক: এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। এটি রক্তকে টক্সিনমুক্ত করে ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।

সজনে ডাঁটায় ফাইবার: ডাঁটায় থাকা খনিজ ও ভিটামিন বি শরীরকে ভিতর থেকে আর্দ্র রাখে। ডাঁটার হালকা ঝোল লিভারের কার্যকারিতা স্বাভাবিক রেখে হজম শক্তি বাড়ায়।

নিম ও তুলসি: নিমে থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ ত্বকের জ্বালা এবং চুলকানি কমাতে অব্যর্থ। তুলসি ও মধুর মিশ্রণ ইমিউন সিস্টেমকে সক্রিয় রাখে।

* জরুরি সতর্কতা-

১. আক্রান্ত ব্যক্তিকে অন্তত ৭ থেকে ১০ দিন আইসোলেশনে রাখা প্রয়োজন।

২. ব্যবহারের কাপড় ও বিছানা নিম জল দিয়ে জীবাণুমুক্ত করা জরুরি।

৩. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল বা অ্যান্টি-হিস্টামিন ব্যবহার করা যেতে পারে।

৪. ফোসকা খুঁটলে ত্বকে স্থায়ী দাগ ও সেকেন্ডারি ইনফেকশন হতে পারে।

বসন্ত মানেই আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন শুধু সচেতনতা। নিয়মিত সজনে শাক ও ডাঁটা খাদ্যতালিকায় রাখলে সংক্রমণের প্রভাব অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তবে চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধই সবচেয়ে কার্যকর— তাই সময়মতো চিকেনপক্সের টিকা নেওয়া ও পরিচ্ছন্নতা মেনে চলাই এই রোগ মোকাবিলার মূল অস্ত্র।

You might also like!