
কলকাতা, ৪ অক্টোবর: কেটে গেল ৩১ বছর। আনপ্রেডিক্টেবল দল হিসেবে পরিচিত পাকিস্তান ১৯৯২ ইমরান খানের নেতৃত্বে শিরোপা জয়ের পর আর বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। এবার বাবরের পাকিস্তান শিরোপা জয়ের স্বপ্নে বিভোর।
তবে এই স্বপ্নের পেছনে একটা দুশ্চিন্তা কাজ করছে। তা হলো ব্যাটারদের অধারাবাহিকতা। এরপরও কিন্তু ৯২-এর চ্যাম্পিয়নরা ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করতে চাইছে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতে এসে নিজেদের সেরাটা দিতে মুখিয়ে আছেন বাবর-রিজওয়ানরা। এখনও পর্যন্ত চারবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলেছে পাকিস্তান।
তাদের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া বছর গুলির মধ্যে সবচেয়ে লজ্জাজনক–
বিশ্বকাপ ছিল ২০০৭ সালের বিশ্বকাপ। সেই ওয়ানডে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল পাকিস্তান সবচেয়ে দুর্বল দল আয়ারল্যান্ডের কাছে হেরে। সেবার রণক্ষেত্রে পরিণত হয় ড্রেসিংরুম। এমন কি শেষ দুই ওয়ানডের বৈশ্বিক আসরেও সেরা পাকিস্তানকে দেখা যায়নি।
তবে এবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের মাটিতে বাবর-রিজওয়ান- শাহিন শাহরা প্রত্যয়ী। পাকিস্তানের খুব ক্ষতি নাসিম শাহকে না পাওয়া। এশিয়া কাপে ইনজুরি শেষ করে দিয়েছে এই তরুণ পেসারের বিশ্বকাপ স্বপ্ন। তবে পেস ইউনিটে আছেন পাঁচ বোলার। বিশেষ করে বলতে হয় শাহিন শাহ আফ্রিদির কথা। যিনি নতুন বলে ব্যাটারদের রাতের ঘুম কেড়ে নিতে পারেন। আর ব্যাটিংএ আছেন নিউক্লিয়াস বাবর আজম। ওয়ানডের র্যাঙ্কিং সেরা এই পাকিস্তান অধিনায়ক বোলারদের রাতের ঘুম কেড়ে নিতে পারেন। আর রিজওয়ান, ফখর, ইমাম-উল হকরাও জ্বলে উঠেন। এত কিছুর পরও তারা আনপ্রেডিক্টেবল! যেখানে হিসাবনিকাশ ওলট পালট হয়ে যায়। এবার কি করবে পাকিস্তান। তা দেখার জন্য লক্ষ লক্ষ ক্রিকেটপ্রেমী চেয়ে রয়েছেন। আগামী ৬ অক্টোবর হায়দরাবাদে নেদারল্যান্ডসের ম্যাচ দিয়ে ওয়ানডে বিশ্বকাপ পরিক্রমা শুরু করবে পাকিস্তান।
