
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরু টা ভাল হলেও টিম ইন্ডিয়ার বিজয় রথ প্রতিহত হয় দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে। বুধবার তারা মুখোমুখি বাংলাদেশের। এর পর বাকি থাকছে জ়িম্বাবোয়ে ম্যাচ। গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে ভারত কি সেমিফাইনালে উঠতে পারবে? সেমিফাইনালে নিজেদের জায়গা পাকা কিমি.রতে হলে এবং ট্রিফি জিততে হলে ভারতকে বেশ কিছু সমস্যা মেটাতে হবে। সেগুলি কী কী?
১/ কে এল রাহুলঃকে এল রাহুল কে নিয়ে বেশ কয়েক দিন ধরে তাঁকে নিয়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু সমাধানসূত্র এখনও বেরোয়নি। যা অবস্থা, তাতে বাংলাদেশ ম্যাচেও রাহুলকে খেলানো হতে পারে। ওপেনিংয়ে একজন ব্যাটার ক্রমাগত ব্যর্থ হলে তার প্রভাব দলের উপরে পড়েই। শুরুটা ভাল হলে পরের দিকের ব্যাটাররা আত্মবিশ্বাস পান।
২/ ক্যাচিং এবং স্টাম্পিংয়ে উন্নতিঃ বাউন্ডারির ধারে ভারতের ক্যাচিং এবং দীনেশ কার্তিকের উইকেটকিপিং ভারতকে ভাল জায়গায় রাখেনি। আগের ম্যাচে খোদ বিরাট কোহলি ক্যাচ মিস্ করেন। পাকিস্তান ম্যাচে রবিচন্দ্রন অশ্বিন ক্যাচ ফেলায় প্রাণ ফিরে পান শান মাসুদ, যিনি পরে অর্ধশতরান করেন।
৩/ফিল্ডিংঃ দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে চোখের সামনে তিনটি স্টাম্প থাকা সত্ত্বেও ১৫ গজ দূর থেকে বল ছুড়ে উইকেট ভাঙ্গতে পারেননি রোহিত শর্মা। এশিয়া কাপে ঋষভ পন্থ এবং আরশদীপকেও একই কাজ করতে দেখা যায়। পাকিস্তান ম্যাচে কোহলি একই ভাবে মাসুদকে রান আউট করতে ব্যর্থ হন।
৪/ ডট বল কমানো: গত বিশ্বকাপে নিউজ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৫৪টি এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৪৬টি ডট বল খেলেছিল ভারত। অর্থাৎ ৪২ শতাংশ বলে তারা রানই করতে পারেনি। সেটার এখনও বিশেষ বদল হয়নি। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এ বারও ৪৬টি ডট বল খেলেছে তারা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তা বেড়ে হয়েছে ৫৭টি। অর্থাৎ ডট বল খেলার পরিমাণ ৫৭ শতাংশ।
৫/ দল নির্বাচনঃ আচমকা একটা ‘সেট’ হয়ে যাওয়া দল বদলে দেওয়া ভারতের কাছে নতুন কিছু নয়। গত কয়েক বছর ধরেই দল নির্বাচন ভারতকে সমস্যায় ফেলেছে। দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে কেন দীপক হুডাকে দলে নেওয়া হল কেউই জানেন না। তাঁকে দিয়ে বল করানো হয়নি। ব্যাট হাতে শূন্য করেছেন। ফিল্ডিংও আহামরি নয়। কেন এমন বদল আনা হয় যা ফলপ্রসু হয়না ?চলমান সিরিজে সেট টিম ভেঙ্গে দল তৈরীর এই প্রথায় বদল আনা প্রয়োজন
