Country

1 hour ago

Abhijeet Dipke: ‘দেশদ্রোহী’ থেকে এনডিএ-র আমন্ত্রণ! আঠাওয়ালের প্রস্তাব উড়িয়ে বিস্ফোরক দীপক

Cockroach Janta Party (CJP) founder Abhijeet Dipke has reacted to Ramdas Athawale
Cockroach Janta Party (CJP) founder Abhijeet Dipke has reacted to Ramdas Athawale

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র প্রধান অভিজিৎ দীপকেকে নিজের দল রিপাবলিকান পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এ)-তে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামদাস আঠাওয়ালে। তবে সেই আমন্ত্রণ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন নিট প্রশ্নফাঁস বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ দীপকে। শুধু প্রস্তাব ফিরিয়েই থামেননি তিনি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে কটাক্ষ করে দীপকের মন্তব্য, “এক মাস আগেও ‘দেশদ্রোহী’ ছিলাম!” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। 

সম্প্রতি রাজ্যসভার সাংসদ রামদাস আঠাওয়ালে বলেন, বাবাসাহেব আম্বেদকরের স্বপ্নপূরণ, সমাজ ও দলকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দীপকের রিপাবলিকান পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এ)-তে যোগ দেওয়া উচিত। একই সঙ্গে দীপকেকে সরাসরি এনডিএ-তে যোগ দেওয়ারও প্রস্তাব দিয়ে রামদাস বলেন, “তাঁর (দীপকে) শাসকজোটে যোগ দেওয়া উচিত।” পালটা ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে কটাক্ষের সুরে ‘আরশোলা’ নেতা বলেন, ‘‘এক মাস আগেও তো আপনার চোখে আমি দেশদ্রোহী ছিলাম!’’ মূলধারার রাজনীতিতে যে যোগ দিতে চান না তিনি সেকথাও জানিয়ে দিয়েছেন দীপকে। 

সোশাল মিডিয়াতে সিজেপি নেতা বলেন, “মানুষ রাজনীতি এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার উপর আস্থা হারিয়েছে।” বিকল্প পথের কথাও নিজেই জানিয়েছে অভিজিৎ দীপকে। তিনি বলেন, দেশের উন্নতির জন্য আলাদা একটা রাজনৈতিক দলের চেয়ে এখন গণআন্দোলন তৈরি করা বেশি জরুরি। প্রসঙ্গত, নিট প্রশ্নফাঁস আন্দোলনে বড় সাফল্য পেয়েছে অভিজিৎ দীপকে প্রতিষ্ঠিত ককরোচ জনতা পার্টি। যদিও মূলধারার রাজনৈতিক দল গড়ার ভাবনা নেই, জানিয়েছিলেন তিনি। বদলে আমজনতার পাশে দাঁড়াতে নয়া কর্মসূচি ‘কেয়া বোলতি পাবলিক’ (কী বলছে জনতা) ঘোষণা করেন। যার মাধ্যমে সরাসরি সাধারণ মানুষের সুবিধা-অসুবিধার কথা জানবেন ককরোচ জনতা পার্টির তরুণ সদস্যরা। 

দীপকে জানান, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য শিক্ষা ক্ষেত্র। তিনি দাবি করেন, স্কুল, কলেজ ও কোচিংয়ের ফি মাত্রাছাড়া হারে বেড়ে যাওয়ার অনেক পরিবারের পক্ষেই সন্তানদের মানসম্মত শিক্ষা দেওয়া সাধ্যের বাইরে চলে গিয়েছে। তিনি বলেন, “শিক্ষা সংস্কারই হবে আমাদের অগ্রাধিকারের বিষয়। আমরা মনে করি, দেশে শিক্ষা এখন আর সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যে নেই। (বেসরকারি স্কুলগুলিতে) প্রথম শ্রেণিতেই বার্ষিক ফি ১ থেকে ২ লাখ টাকা। এর বাইরে রয়েছে অনুদান বা ডোনেশনের খরচ।”

You might also like!