
প্রবল বেগে জল বইছে। ভাঙছে পাড়ও। গত কয়েকদিন ধরেই লাগাতার বৃষ্টি হচ্ছে সিকিমের পাহাড়ে। ফুঁসছে তিস্তার নদী। প্রতি মুহূর্তের জলস্তর বেড়ে চলেছে। জলের তোড়ে রাস্তা ভাঙতে শুরু করেছে। বিপদ এড়াতে ইতিমধ্য়েই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে তিস্তাবাজার থেকে দার্জিলিং যাওয়ার রাস্তা। তিস্তা পাড়ের বাসিন্দাদের নিরাপদ যাওয়ার সরে যেতে বলা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে সতর্ক করা হচ্ছে জলপাইগুড়ি তিস্তা নদী সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের। প্রবল বৃষ্টির জন্য রানিখোলা নদী ফুলেফেঁপে উঠে রাস্তার উপর দিয়ে বইছে। একাধিক বাড়িতে নদীর জল ঢুকেছে। গাড়িও ভেসে গিয়েছে।প্রচুর সম্পত্তি নষ্ট হয়েছে।
উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। প্রবল বৃষ্টি হবে উত্তরবঙ্গের আলিপুরাদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়িতে। ঝোড়ো হাওয়া বইবার সম্ভাবনা ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত হবে। সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সিকিমের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র মেঙ্গলি, ইয়াংগাং, নামচি মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হড়পা বান ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত হয় দক্ষিণ সিকিমের নামচি জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। পকিয়ং মহকুমার লাটুক ঠেক থেকে রোলেপ রাস্তা মঙ্গন মহকুমার ফিডং সাংটক রাস্তা ধসে অবরুদ্ধ।
