
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃঅসমে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হল। শনিবার নতুন করে ৩ জন বন্যার বলি হওয়ায় মৃতর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৫। বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে বরাক, কোপিলি ও কোশিয়ারা নদীর জল।
শুক্রবার পর্যন্ত অসমের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ছিল প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ। শনিবার তা এক ধাক্কায় ছ’লক্ষের গণ্ডি পেরিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্যের অন্তত ১০টি জেলা। ভেসে গিয়েছে একাধিক রাস্তাঘাট, সেতু এবং ঘরবাড়ি। বিঘার পর বিঘা চাষের জমিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে বহু এলাকা। প্রভাব পড়েছে ট্রেন চলাচলেও।
রেমালের প্রভাবে গত মঙ্গলবার থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয় অসমে। তারই জেরে রাজধানী শহর গুয়াহাটি-সহ অসমের গ্রামের পর গ্রাম প্লাবিত। রাজ্য এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী যৌথভাবে উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত নগাওঁ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। এই জেলাতেই বন্যাকবলিত মানুষের সংখ্যা আড়াই লক্ষের বেশি। জল না কমলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে মনে করা হচ্ছে।
শুক্রবার পর্যন্ত অসমের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ছিল প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ। শনিবার তা এক ধাক্কায় ছ’লক্ষের গণ্ডি পেরিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্যের অন্তত ১০টি জেলা। ভেসে গিয়েছে একাধিক রাস্তাঘাট, সেতু এবং ঘরবাড়ি। বিঘার পর বিঘা চাষের জমিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে বহু এলাকা। প্রভাব পড়েছে ট্রেন চলাচলেও।
রেমালের প্রভাবে গত মঙ্গলবার থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয় অসমে। তারই জেরে রাজধানী শহর গুয়াহাটি-সহ অসমের গ্রামের পর গ্রাম প্লাবিত। রাজ্য এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী যৌথভাবে উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত নগাওঁ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। এই জেলাতেই বন্যাকবলিত মানুষের সংখ্যা আড়াই লক্ষের বেশি। জল না কমলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে মনে করা হচ্ছে।
