Breaking News
 
RG Kar case : আর জি কর মামলায় মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা, সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল ও আরও ২ পুলিশ আধিকারিক Mamata Banerjee And suvendu Adhikari:‘খতিয়ে দেখা হবে’,আর জি কর মামলায় মমতাকেও তদন্তের আওতায় আনার ইঙ্গিত শুভেন্দুর Suvendu Adhikari :জেলের ভিতরে স্মার্টফোন কাণ্ডে তোলপাড়, প্রেসিডেন্সির সুপার সাসপেন্ড, ‘ঘুঘুর বাসা’ ভাঙার বার্তা WB budget session :১৮ জুন থেকে বাজেট অধিবেশন, জনমুখী প্রকল্পে বড় ঘোষণার জল্পনা তুঙ্গে Rahul Gandhi’s foreign trips :বিদেশ সফর নিয়ে রাহুলকে আক্রমণ বিজেপির, কংগ্রেসের দাবি ‘আসল ইস্যু থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা’ Janatar Darbar :যোগী মডেলে বাংলায় ‘জনতার দরবার’, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

 

Country

2 years ago

Nepalese Woman Murder: শিলিগুড়ির বারে প্রথম দেখা, নেপালি মহিলাকে খুনের দারে ধৃত সেনাকর্তা

The accused army chief was arrested by the police from his house
The accused army chief was arrested by the police from his house

 

দেহরাদুন, ১২ সেপ্টেম্বর  : পশ্চিমবঙ্গে শিলিগুড়ির একটি বারে গিয়ে সাক্ষাৎ হয়েছিল দু’জনের। তার পর ধীরে ধীরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই প্রেমিকাকে খুনের অভিযোগ উঠল ভারতীয় সেনার এক লেফটেন্যান্ট কর্নেলের বিরুদ্ধে।

সূত্রের খবর, অভিযুক্তের নাম রমেন্দু উপাধ্যায়। বর্তমানে তিনি উত্তরাখণ্ডের দেহরাদূনে কর্মরত। নিহত মহিলার নাম শ্রেয়া শর্মা (৩০)। সোমবার দেহরাদূনের সিরওয়াল গঢ় থেকে তাঁর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মহিলা খুন হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই, মঙ্গলবার অভিযুক্ত সেনাকর্তাকে প্রেম নগরের পণ্ডিতওয়ারিতে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার রাতে মহিলার দেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। রাস্তার ধারে পড়ে ছিল শ্রেয়ার দেহ। প্রাথমিক ভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, লং ড্রাইভে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে শ্রেয়াকে সিরওয়াল গঢ়ের একটি ফাঁকা জায়গায় নিয়ে আসেন সেনাকর্তা। তার পর তাঁর মাথায় হাতুড়ি মেরে খুন করেন।

অভিযুক্তকে জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, শিলিগুড়িতে কর্মরত থাকার সময় একটি বারে নিয়মিত যেতেন সেনাকর্তা রমেন্দু। সেখানেই শ্রেয়ার সঙ্গে আলাপ হয় তাঁর। শ্রেয়া আদতে নেপালের বাসিন্দা। কর্মসূত্রে তিনি শিলিগুড়িতে থাকতেন।

সেনাকর্তা বিবাহিত। কিন্তু শ্রেয়ার সঙ্গে তাঁর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। তিন বছর ধরে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। এর পর সেনাকর্তা দেহরাদূনে বদলি হয়ে যান। তখন শ্রেয়াকেও সঙ্গে করে নিয়ে যান। সেখানে একটি ফ্ল্যাটে রেখেছিলেন শ্রেয়াকে। সেই ফ্ল্যাটের ভাড়া দিতেন সেনাকর্তা।

প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানতে পেরেছে, সেনাকর্তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন শ্রেয়া। শনিবার দেহরাদূনের রাজপুর রোডের একটি নাইট ক্লাবে গিয়েছিলেন দু’জনে। সেখান থেকে তাঁরা লং ড্রাইভে যান। শহরের বাইরে শ্রেয়াকে নিয়ে যান সেনাকর্তা। রাত দেড়টা নাগাদ সিরওয়াল গঢ়ে নিয়ে গিয়ে শ্রেয়ার মাথায় হাতুড়ি মেরে খুন করেন। তার পর তাঁর দেহ ফেলে রেখে চলে যান।


You might also like!