
কলকাতা, ৩০ আগস্ট : একই দিনে নদিয়া ও পুরুলিয়ার স্বর্ণগহনা প্রস্তুতকারক ও বিক্রয় সংস্থায় ডাকাতির জেরে বুধবার নিজেদের নিরাপত্তা চেয়ে স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে চিঠি দিচ্ছেন স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমিতি। বউবাজার এলাকায় প্রচুর সোনার দোকান রয়েছে। রাজ্যের প্রায় ২৮ হাজার স্বর্ণ ব্যবসায়ী রয়েছে। সরকার আগামী দিনে তাঁদের জন্য কী নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে, তা নিয়েই স্বরাষ্ট্র সচিবকে চিঠি দিচ্ছেন স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় চার জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নদিয়ার রানাঘাট ও পুরুলিয়ায় ডাকাতির ঘটনায় চলে কুড়ি মিনিটের একটা অপারেশন। প্রথমে দু’জন ক্রেতা সেজে ভিতরে ঢোকেন। নিয়ম মাফিক গেট বন্ধ করে দেন নিরাপত্তাকর্মীরা। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে পিছনে ঢোকেন আরও ৯ জন। তাঁরা আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে গেট খুলে ভিতরে ঢোকেন। কর্মীদের ভয় দেখাতে শোরুমের মধ্যে গুলি চালান। তারপর সিসিটিভি-র হার্ড ডিস্ক খুলে নেওয়া হয়। চলে লুঠপাট।
মূল্যবান পাথর, সোনা-হীরে-রূপোর গয়না-সহ সবই লুঠ করে নিয়ে যায়। প্রায় একই সময়ে, ঘণ্টা খানেকের ব্যবধানে ওই স্বর্ণগহনা প্রস্তুতকারক ও বিক্রয় সংস্থার পুরুলিয়ার আউটলেটেও ডাকাতি হয়। একই পদ্ধতিতে। দুটি আউটলেট মিলিয়ে ৮ কোটির গয়না লুঠ করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
রাজ্যে গত কয়েক মাসে ছোটখাটো একাধিক সোনার দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। বারাকপুরের পর শক্তিগড়েও সোনার দোকানে ডাকাতি করতে গিয়ে বাধা পেয়ে গুলি চালনার ঘটনা ঘটে। এইভাবে পরপর ডাকাতির ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্কিত রাজ্যের স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা। এবার নিরাপত্তার দাবিতে আবেদন জানিয়ে স্বরাষ্ট্রদফতরের কাছে আবেদন জানাবেন আতঙ্কিত স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা ।
