
নদিয়া :অভিজিৎ ভট্টাচাৰ্য: শাস্ত্রমতে নবদ্বীপ ধামের গুরুত্ব অপরিসীম কলিযুগে রাধা ও কৃষ্ণের যুগল সমন্বয়ে রূপ হল কলি যুগের যুগ অবতার শ্রী শ্রী চৈতন্যদেব। নবদ্বীপেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন গৌড় পূর্ণিমার দিন সন্ধ্যা ই নিম গাছের নিচে শচীমাতার অঙ্গনে।
পিতা জগন্নাথ মিশ্র ও মাতা শচি দেবীর কোল আলো করে জগতকে শিক্ষা দিতে যুগ অবতার ও নবদ্বীপের পন্ডিত হয়ে দাঁড়ান এই শ্রীচৈতন্যদেব।
এই শ্রীচৈতন্যদেব যে নাম সংকীর্তন এবং মহানাম হরিনাম ছরিয়ে ছিলেন মানুষের কাছে সেই হরির নাম ছড়িয়ে দিতে এগিয়ে এসেছেন মায়াপুর ধামের বামুন পুকুর প্রগতিসংঘের সদস্য ও কর্মকর্তারা।
মহাপ্রভুর আঙ্গিকের হরিনাম অষ্টম প্রহর রূপে অধিবাস সহ প্রায় তিন থেকে চার দিন বিরাট মঞ্চ করে হরিনাম সংকীর্তন সেই সঙ্গে প্রসাদ বিতরণ করেন প্রগতি সংঘ। এদিন প্রগতি সংঘের সাধারণ সম্পাদক "সুশীল বিশ্বাস বলেন এলাকা তো বটেই এলাকার বাইরের থেকে অগণিত মানুষ এই হরিনাম সংকীর্তন শুনতে আসেন দুপুরে এবং রাতে তারা একইভাবে এই মন্ডপে অন্ন গ্রহণ করেন এবং শেষ দিনে অগণিত ভক্তের আগমন ঘটে।
সাধারণ মানুষ এলাকার অগণিত মানুষ এই অনুষ্ঠানটিতে সাফল্যমন্ডিত করেন এবং সেই সঙ্গে তারা নিজের অনুষ্ঠান ভেবেই অনুষ্ঠানটিকে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করেন এবং আমাদের আশা মানুষ এইভাবে দিনে দিনে আরও এই আমাদের হরিনাম যজ্ঞের বিরাট কর্মকাণ্ডকে আমাদের পাশে তারা থাকবেন এবং অনুষ্ঠানকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।
নবদ্বীপ এর বিধায়ক শ্রী পুন্ডরীকাক্ষ উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠান এ।নবদ্বীপের যেহেতু সীমন্ত দ্বীপের মধ্যেই এই বামনপুকুর অন্তর্গত সেহেতু এলাকাবাসীর মধ্যে ধার্মিক ভাব একটা লক্ষ্য করা যায়,অধিবাস থেকে শুরু হয় সেই সঙ্গে ধাপে ধাপে হরিনাম সংকীর্তন,সূর্য পূজা, ভোগ রাগ এবং মালসা ভোগ দিয়ে সম্পূর্ণ হয়।জাতি, বর্ণ এবং ধর্ম নির্বিশেষের শ্রীচৈতন্যদেবের ভাবধারায় এই নাম যগ্য হয়ে থাকে।
