Breaking News
 
School Education Department: শিক্ষক দিবসেই শিক্ষকের গায়ে হাত! প্রধান শিক্ষককে মারধরের ভিডিও ভাইরাল, অ্যাকশনে স্কুলশিক্ষা দপ্তর Raghav Chadha: বিজেপিতে যোগের পরেই ‘বিতাড়িত’! ভোটের মুখে পাঞ্জাবের তালিকা থেকে বাদ রাঘব, নাম উঠল দিল্লিতে Jadavpur Gerua Michil: ‘গেরুয়ার সম্মানে’ রাজপথে সন্ন্যাসীরা! যাদবপুরের মিছিলের নেতৃত্বে শুভেন্দু Abu Taher: নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন ঘিরে তৃণমূলে ফের কোন্দল, মমতাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ আবু তাহেরের Ritabrata TMC: জোড়াফুলের অপেক্ষা, বিকল্পে নির্দল! নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে লড়াইয়ের প্রস্তুতি ঋত শিবিরের Abhishek Banerjee PA: ১৫ কোটির লেনদেন সুমিতের অ্যাকাউন্টে! সুপ্রিম কোর্টে অভিষেকের আপ্তসহায়ককে নিয়ে বিস্ফোরক দাবি রাজ্যের

 

kolkata

3 years ago

SSC SCam : জেলের লনে কুন্তলকে পার্থর প্রশ্ন, আমার নামটাই বললে তুমি

Partha Chatterjee - Kuntal Ghosh
Partha Chatterjee - Kuntal Ghosh

 

কলকাতা, ৭ ফেব্রুয়ারি  : একই জেলে থাকছেন প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষ। মঙ্গলবারও তেমনই দেখা হয়ে গেল পার্থ-কুন্তলের। বাকি বন্দিদের ভিড়ের মধ্যেই হয়ে গেল এক প্রস্ত কথাবার্তাও।

কুন্তল গত বৃহস্পতিবার থাকতে শুরু করেছেন এই ‘পয়লা বাইশ’-এরই বাইশ নম্বর ঘরটিতে। মঙ্গলবার তাঁরা দু’জনেই নেমেছিলেন পয়লা বাইশের লাগোয়া লনটিতে। ছিলেন অন্যান্য বন্দিও। জেল সূত্রে খবর, কুন্তলকে সেখানে দেখতে পেয়েই প্রশ্ন ছুড়ে দেন পার্থ। বলেন, ‘‘এই, তুমি আমাকে চেনো? তুমি আমার নামটাই নিলে?’’ কুন্তল সেই প্রশ্ন শোনেন এবং জবাবও দেন। তবে সেই জবাব আসে মিনমিনে স্বরে। বন্দিরা শুনতে পান, কুন্তল খুব চাপা স্বরে বলছেন ‘‘আলাপ নেই।’’ তার পর অবশ্য চুপ করেই থাকেন।

রাজনৈতিক মহলে এই প্রশ্ন ঘিরে শুরু হয়েছে গুঞ্জন। কুন্তল অবশ্য ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলেই থাকবেন। অর্থাৎ আরও ১০ দিন এই পয়লা বাইশ ব্লকেই এক সঙ্গে থাকবেন। প্রেসিডেন্সি জেলের সেল ব্লকের বাসিন্দা পার্থ। জেলের ভাষায় এই সেল ব্লককে বলা হয় পয়লা বাইশ। মোট ২২টি সেল রয়েছে এই ব্লকে। তাই ওই নাম। পার্থ গত বেশ কয়েক মাস ধরে রয়েছেন এক নম্বর সেলে।

পার্থবাবু এবং কুন্তল— দু’জনেই রাজ্যের স্কুলে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত। তবে দু’জনের পদমর্যাদায় আকাশ-পাতাল পার্থক্য। পার্থবাবু রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। গ্রেফতার হওয়ার আগে রাজ্যের শিল্পমন্ত্রীও ছিলেন। আবার দলের সাংগঠনিক স্তরেও তাঁর পদ ছিল দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরেই। পার্থবাবু ছিলেন তৃণমূলের মহাসচিব। সেখানে কুন্তল একটি জেলার দায়িত্বে থাকা তৃণমূল যুবনেতা।

কুন্তলের রিম্যান্ড পেপারে ইডি লিখেছিল, বেআইনি নিয়োগের জন্য যে অর্থ চাকরিপ্রার্থীদের থেকে সংগ্রহ করেছিলেন কুন্তল, তা গিয়েছে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতো প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং তাঁর সহযোগীদের হাতেও। সেই সব রিপোর্টের খবর সংবাদপত্র বাহিত হয়েই সম্ভবত পৌঁছেছিল পার্থবাবুর হাতে। তাই ওই প্রশ্ন।দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বিশেষত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেকনজরে থাকা যুবনেতা হলেও বাস্তবে দলের মহাসচিবের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ পরিচয় থাকতে হবে তার কোনও অর্থ নেই। ইডির কাছে কুন্তলও এমনই দাবি করেছিলেন বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর।


You might also like!