
কলকাতা, ২৭ অক্টোবর : চেষ্টা করেও তৃণমূলের রাজনীতির অন্দরে ঢুকতে পারছেন না নেত্রীর এককালের দক্ষিণহস্ত শোভন চট্টোপাধ্যায়। তবু চেষ্টার কসুর নেই। বৃহস্পতিবার তিনি কালীঘাটে দলনেত্রীর বাড়িতে গেলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে। যদিও ভাইফোঁটায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি যাওয়া নতুন কিছু নয় বলেই জানালেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। ৮ বছর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি ভাইফোঁটা নিতে গেলেন দলের বর্ষীয়ান নেতা মুকুল রায়।
ভাইফোঁটায় বরাবরই তাঁর বাড়িতে ‘ভাই’দের সমাবেশ ঘটে। বিশেষত দলের সহকর্মীদের বাড়িতে ডেকে ফোঁটা দেন ‘দিদি’। হাতে তুলে দেন উপহারও। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হল না। তবে এবছর মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাড়িতে ভাইফোঁটার অনুষ্ঠান একটু অন্যরকমই হল। শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক দূরত্ব ভুলে ‘রিইউয়নে’ খুশি দুজনেই।
শেষবার মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাড়িতে জমজমাট ভাইফোঁটা হয়েছিল ২০১৯ সালে। তারপর কোভিডের কোপে ২ বছর সেভাবে অনুষ্ঠান হয়নি। এবছর আবার ৩০ বি, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়িতে ভাইফোঁটায় জনসমাগম। আর সেখানে নজর কাড়ল মুকুল রায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়, বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি।
যদিও একে ‘পারিবারিক অনুষ্ঠান’ বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ভাইফোঁটা সেরে বেশ হাসিমুখে বেরলেন সাদা পাঞ্জাবি পরা শোভন চট্টোপাধ্যায়। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি সেভাবে মুখ না খুললেও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ”শোভন ভাইফোঁটা পেল, আমি আশীর্বাদ পেলাম। মমতার মমত্ব এত বেশি, উনি সবাইকে খাওয়াচ্ছেন। ওঁদের মধ্যে একটা টান সবসময় রয়েছে। ভাইবোনের এই সম্পর্ক ছিলই, মাঝে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। অভিমানের মেঘ কেটে গিয়েছে। এটাই সবচেয়ে ভাল।”
