
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ মঙ্গলবার রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিনই ইউনেস্কোর তরফ থেকে আরো একটি পালক যুক্ত হল শান্তিনিকেতনের মুকুটে। ইউনেস্কোর ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতন। টুইট করে এই ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি।
টুইটে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি লিখেছেন, ‘গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীতে ভারতের জন্য দারুণ খবর। সূত্রের খবর, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির সভায় এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।’
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি এই সাফল্যের সিংহভাগ ই দিতে চেয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী কে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দূরদৃষ্টির জন্যই শান্তিনিকেতনের এই বিরল সন্মান লাভ বলে মনে করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।
বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ পদস্থ এক আধিকারিক বলেছিলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়কে হেরিটেজ বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণা করা হচ্ছে। এটি হবে বিশ্বের প্রথম হেরিটেজ বিশ্ববিদ্যালয়। সাধারণত কোনো স্মৃতিস্তম্ভকে হেরিটেজ ট্যাগ দেওয়া হয়ে থাকে, তবে বিশ্ব ভারতীর ক্ষেত্রে ব্যাপারটি সম্পূর্ণ আলাদা । বিশ্বে এই প্রথমবারের মতো, একটি জীবন্ত বিশ্ববিদ্যালয় যা পুরোদমে কাজ করছে, তাকে ইউনেস্কো থেকে হেরিটেজ স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে। পৃথিবীতে আর কোনও বিশ্ববিদ্যালয় নেই যেখানে ধারাবাহিকভাবে সাংস্কৃতিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে।’
১৯২১ সালে ১১৩০ একর জমিতে বিশ্বভারতীর প্রতিষ্ঠা হয়। ১৯২২ সালের মে মাসে বিশ্বভারতী সোসাইটি একটি সংস্থা হিসেবে নিবন্ধিত না হওয়া পর্যন্ত এটি নোবেলজয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামেই ছিল। রবীন্দ্রনাথ তাঁর বেশ কিছু সম্পত্তি, জমি এবং একটি বাংলো সেই সময়ে বিশ্বভারতী সোসাইটিকে দান করেছিলেন। স্বাধীনতার আগে পর্যন্ত এটি একটি কলেজ ছিল এবং ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠানটিকে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা দেওয়া হয়।
