
জলপাইগুড়ি: সাগরদিঘি মডেলের পুনরাবৃত্তি ধূপগুড়িতে দেখা যাবে বলে আশা করেছিলেন বাম-কংগ্রেসের অনেকেই। কিন্তু রাজ্যে তৃণমূলের সঙ্গে 'কুস্তি'তে ধরাশায়ী হতে হল অধীর রঞ্জন চৌধুরী, মহম্মদ সেলিমদের। ধূপগুড়িতে জামানত জব্দ হয়েছে সিপিএম প্রার্থীর। যাকে বলে ‘গোয়া হারা’।
ভোটের ফল ঘোষণার পর দেখা গিয়েছে, কার্যত ভরাডুবি কংগ্রেস সমর্থিত বামপ্রার্থী ঈশ্বরচন্দ্র রায়ের। ৬ শতাংশ ভোটেই আটকে থেকেছে বাম-কংগ্রেস জোটের ভোট। ১৪ হাজারের মতো ভোট পেয়েছেন তিনি।
একুশের বিধানসভা ভোটে যেখানে তৃণমূল প্রার্থী মিতালি রায়কে যেখানে ৪ হাজার ৩৫৫ ভোটে হারিয়েছিলেন বিজেপির বিষ্ণুপদ রায়। সেখানেই তেইশের উপনির্বাচনে, বিজেপির তাপসী রায়কে ৪ হাজার ৩০৯ ভোটে হারালেন তৃণমূলের নির্মলচন্দ্র রায়।
ধূপগুড়ি উপনির্বাচনে হারের পর সংগঠনের ব্যর্থতা ও মানুষের আস্থা অর্জন করতে না পারাকেই কারণ হিসেবে দেখছে বাম নেতৃত্ব। সিপিএমের কেন্দ্রীয় সমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তীর ব্যাখ্যা, সাংগঠনিক দুর্বলতা তো রয়েছেই। মানুষকে কেন দোষ দেব। পঞ্চায়েত ভোটে মানুষ ভোট দিতে পারেননি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, এবারে তেমনটা হয়নি। বরং মানুষ মনে করেননি বিজেপিকে বা তৃণমূলকে আমরা হারাতে পারব। তার জেরেই সম্ভবত কাঙ্খিত ভোট পাইনি আমরা। তবে পরিস্থিতি এরকম থাকবে না, বদলে
মাত্র ২৮ মাস আগে জেতা আসন হাতছাড়া হল বিজেপির। আর উল্লেখযোগ্যভাবে জলপাইগুড়িতে, মাগুরমারি ২, বারোঘরিয়ার মতো সংখ্য়ালঘু অধ্যুষিত অঞ্চলে সেই ভোট গেছে তৃণমূলের দিকে। সাগরদিঘিতে দেখা গিয়েছিল, সংখ্যালঘু ভোটের সিংহভাগ গিয়েছিল বাম সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থীর দিকে, কিন্তু ধূপগুড়িতে দেখা গেল না যে ছবি।
