
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ সোমবার দুপুরে খেজুরির সভা থেকে ৬ এপ্রিল নিয়ে প্রশাসনকে সতর্ক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই নবান্নর তরফে সরকারিভাবে সমস্ত জেলার পুলিশ সুপারের কাছে সতর্কবার্তা পৌঁছে গেল।
নবান্ন সূত্রে খবর, পুলিশ সুপারদের বলা হয়েছে, ওইদিন যাতে কোনও ভাবে অশান্তি সৃষ্টি না হয় তার জন্য সব রকম বন্দোবস্ত (Police Arrangement) রাখতে হবে। পুলিশি ব্যবস্থা থেকে শুরু করে এলাকায় নজরদারি—সবটাই যথাযথভাবে করতে বলা হয়েছে নবান্নের তরফে। হাওড়া, ডালখোলা বা রিষড়ার ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয় সে ব্যাপারে সমস্ত পুলিশ সুপারকে কড়া বার্তা দিয়েছে নবান্ন।
এদিন খেজুরির সভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘৬ তারিখটা খুব সতর্ক থাকুন। ওরা (পড়ুন বিজেপি) আবার দাঙ্গা করার প্ল্যান করতে পারে। তা যাতে করতে না পারে সেটা আমাদের দেখতে হবে।’
৬ এপ্রিল হনুমান জয়ন্তী পালিত হবে দেশজুড়ে। ওই দিন বজরংবলীর পুজো হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, ‘আমরা সবাই বজরংবলীকে শ্রদ্ধা করি। কিন্তু দাঙ্গাবাজি সমর্থন করি না।’
দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রীর কথার পরেই প্রশাসনিক স্তরে তৎপরতা শুরু করে দিল নবান্ন। এদিন মুখ্যমন্ত্রী এও প্রশ্ন তোলেন, কেন পাঁচদিন ধরে রামনবমী হবে? পাল্টা দিলীপ ঘোষ বলেছেন, রামনবমী ক’দিন পালন করা হবে সেটা হিন্দু সমাজ ঠিক করবে। মুখ্যমন্ত্রী নন।
এদিন আদালতও প্রশ্ন তুলেছে, পুলিশ অনুমতি দিল কীভাবে? হাওড়ায় ওই এলাকায় গতবারও অশান্তি হয়েছিল। তারপরও এবার কী করে একই ঘটনা ঘটল সেই প্রশ্ন তুলেছে কোর্ট।
