Breaking News
 
ssc-omr-sheets : রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম প্রকাশের দিনেই প্রকাশ্যে শিক্ষক নিয়োগের ওএমআর শিট, বাড়ল বিতর্ক TMC: অষ্টাদশ বিধানসভায় তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা হচ্ছেন শোভনদেব; গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরহাদ-নয়নারা Narendra Modi: জনসমুদ্রে ‘সোনার বাংলা’র অঙ্গীকার! গেরুয়া ঝড়ে কাঁপল কলকাতা, ব্রিগেডে জনতার শক্তির জয় Suvendu Adhikari: প্রতিশোধ নয়, পরিবর্তনই লক্ষ্য! জোড়াসাঁকো থেকে বিরোধীদের সংযত হওয়ার বার্তা শুভেন্দু অধিকারীর Mamata Banerjee: মমতার অন্ধ স্নেহেই কি ডুবল দল? ফিরহাদ-কন্যার ধৃতরাষ্ট্র-মন্তব্যে পাল্টাহাওয়ার ইঙ্গিত ঘাসফুল শিবিরে Suvendu Adhikari: শ্যামাপ্রসাদের উত্তরসূরি হিসেবে উদয়! ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে বাংলার নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু

 

West Bengal

2 years ago

Jyotipriya Mallick:পরিচারককে জ্যোতিপ্রিয় ২০ লক্ষ টাকা দেন ফ্ল্যাট কিনতে

Jyotipriya Mallick
Jyotipriya Mallick

 

কলকাতা, ৭ নভেম্বর : জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের হিসেবের নানা নথি ঘাঁটতে গিয়ে নিত্যনতুন তথ্য আসছে ইডি-র ঝুলিতে। তার সর্বশেষ সংস্করণ বাড়ির পরিচারককে ফ্ল্যাট কিনতে ২০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন মন্ত্রীমশাই।

‘বিশ্বস্ত’রাই কি মন্ত্রীর বিপদ বাড়াচ্ছেন? এই মুহূর্তে সে প্রশ্নই ঘোরাফেরা করছে। প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক অভিজিৎ দাস দাবি করেছেন, মন্ত্রীর নির্দেশেই মা ও স্ত্রীকে কোম্পানির ডিরেক্টর করতে বাধ্য হন তিনি। এবার মুখ খুলেছেন জ্যোতিপ্রিয়র পরিচারক রামস্বরূপ শর্মা।

রামস্বরূপের দাবি, বাড়ি কিনতে তাঁকে ২০ লক্ষ টাকা দেন বালু। বিহারের ছেলে রামস্বরূপ। ১৯৯৩ সাল নাগাদ কলকাতায় আসেন তিনি। কলেজ স্ট্রিটে সেলুন চালাতেন। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকেরও কলেজ স্ট্রিট চত্বরে পুরনো বাড়ি ছিল। সেখান থেকেই ‘সাহেব’-এর সঙ্গে পরিচয়। এরপর ধীরে ধীরে ‘সাহেব’-এর বিশ্বস্ত হয়ে ওঠেন রামেশ্বর। এরপর বালুর বাড়িতে পরিচারক হিসাবে কাজ, পরে কৃষি দফতরে চাকরি।

‘সাহেব’ ইডির হাতে গ্রেফতার হতেই সিজিওতে ডাক পড়েছিল রামস্বরূপের। কেষ্টপুর প্রফুল্লকাননে ফ্ল্যাট রয়েছে তাঁর। ইডি জানতে চায়, এই ফ্ল্যাট কেনার টাকা তিনি কীভাবে পেলেন? রামস্বরূপ বলেন, “আমি সাহেবের কাছ থেকে ২০ লক্ষ টাকা লোন হিসাবে নিই। ৫ লক্ষ টাকা শোধও করেছি। আরও ১৫ লক্ষ টাকা সাহেব পাবেন।” কে সাহেব? “ আমি বালুদার কাছে কাজ করতাম তো। ওনার কাছ থেকে আমি নিয়েছি।”

এমনও অভিযোগ, যে তিনটি সংস্থা ইডির নজরে, তার একটি গ্রেশিয়াস ইনোভেট প্রাইভেট লিমিটেডের ডিরেক্টর পদে নাম রয়েছে এই রামস্বরূপের। তিনি বলছেন, “আমি ৯৩-তে কলকাতায় এসেছি। সেলুন আছে কলেজ স্ট্রিটের ওখানে ফুটপাথের উপর সেলুন ছিল। এখনও আছে। ২০ বছর কাজ করার পর দাদা তো ওই বাড়িতে থাকতেন। বাজার এটা ওটা করে দিতে দিতে দাদা আমাকে একটা চাকরি দিয়েছিল। ১০ বছর হয়ে গিয়েছে চাকরির।”


You might also like!