
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:মুর্শিদাবাদের নওদায় ১৭৩ নম্বর বুথে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীরের এজেন্টকে বসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ। সেই ঘটনা ঘিরে তুলকালাম বাধল। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ হুমায়ুন-শিবিরের। পাল্টা তৃণমূলের দাবি, বুধবার রাতে নওদায় যাঁরা বোমাবাজি করেছেন, তাঁদের নিয়ে বৃহস্পতিবার ভোটের সকালে ঘুরে বেড়াচ্ছেন হুমায়ুন। ঘটনাস্থলে হুমায়ুন এসে পৌঁছলে পরিস্থিতি আরও অশান্ত হয়ে ওঠে। ধাক্কাধাক্কি, ধস্তাধস্তি শুরু হয়। সামাল দিতে হিমশিম খায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। পরে হুমায়ুন বলেন, ‘৪ মে সব হিসাব হবে’।
বললেন, "পুলিশ এখানে পুরো তৃণমূলের দালালি করছে। বেআইনি রিভলভার নিয়ে তৃণমূলের মস্তানবাহিনী নেমেছে। পুলিশ কী করছে? শেষ দেখে ছাড়ব। রাতভর মহিলাদের উপর অত্যাচার করেছে।পুলিশ এখানে পুরো তৃণমূলের দালালি করছে। বেআইনি রিভলভার নিয়ে তৃণমূলের মস্তানবাহিনী নেমেছে। পুলিশ কী করছে? শেষ দেখে ছাড়ব। রাতভর মহিলাদের উপর অত্যাচার করেছে।"
তৃণমূল প্রার্থীকে লক্ষ্য করে বোমা? হুমায়ুন বললেন, 'আমার লোককে পাথর ছুড়লে পাল্টা রসগোল্লা ছুড়বে কি?'
নওদা ব্লক তৃণমূল সভাপতি শফিউজ্জামান শেখের বক্তব্য, ‘যাঁরা কাল বোমাবাজি করেছে, হুমায়ুন তাঁদের নিয়ে ঘুরছে। যাঁরা আমাদের মেরেছে। আর এখন বলছে এজেন্ট বসতে দিচ্ছে না? কে কার এজেন্ট বসতে দেয়নি, আমাকে জানাক। বুধবার আমাদের কর্মীদের বাড়িঘর ভেঙেছে, আমাদের কর্মীদের হাত পা ভেঙেছে। হুমায়ুন এ সব করাচ্ছে।’
হুমায়ুন কবীর এলাকায় ঢুকতেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর দলের কর্মীদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনেই আঙুল উঁচিয়ে পুলিশকে হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে। এর পরে রাস্তায় চেয়ার নিয়ে বসে পড়েন হুমায়ুন। বলেন, নওদা তিনি ছাড়বেন না।সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশন নওদার দিকে কড়া নজরে রেখেছে। এলাকা শান্ত না হলে কড়া পদক্ষেপ করবে কমিশন।
