West Bengal

1 hour ago

West bengal Assembly Polls: ডোমকলে ভোটের দিন উত্তেজনা—‘ওরা বসে আছে মারার জন্য’, আতঙ্কের অভিযোগ

Tension in Domkal on Polling Day
Tension in Domkal on Polling Day

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:ডোমকলে ভোটের দিনেই উত্তপ্ত পরিস্থিতি, শুরুতেই অভিযোগের পাহাড় উঠল মুর্শিদাবাদের ডোমকল এলাকায় (Murshidabad Domkal)। ভোটারদের একাংশের দাবি, ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগেই তাঁদের ভয় দেখানো হচ্ছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ভোট দিতে গেলে মারধর করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, যার পিছনে শাসক দলের লোকজন রয়েছে বলেই অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।একাধিক ভোটারের অভিযোগ, পরিস্থিতি এমনই ভয়াবহ যে তাঁরা ভোটকেন্দ্রে যেতে পারছেন না। তাঁদের আরও দাবি, প্রথমদিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি। পরে পুলিশ এলেও অভিযোগ শোনার বদলে উল্টে তাঁদের উপর মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।এদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভোটাররা। তাঁদের দাবি, এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি কার্যত চোখে পড়ছে না, ফলে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সাধারণ মানুষ। গত রাতেও ডোমকলে অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল বলে জানা গিয়েছে, আর ভোটের দিন সকাল থেকেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে। পুলিশ দায়িত্ব নিচ্ছে না, এমনকি ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রেও বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে বলে দাবি তাঁদের। ফলে অনেকেই আতঙ্কে ভোট দিতে যেতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন।এই পরিস্থিতিতে ডোমকলের ভোটপর্ব ঘিরে তৈরি হয়েছে চরম উদ্বেগ ও রাজনৈতিক উত্তেজনা।

নির্বাচন কমিশন বারবার বলেছে এবার ভোট হবে নিরাপদে, অবাধে, শান্তিপূর্ণ এবং সুষ্ঠু ভাবে। হিংসামুক্ত ভোটের কথা বলেছিল কমিশন। বিপুল পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনীও এসেছে রাজ্যে। অথচ প্রথম দফার ভোটের দিন সকালে ডোমকলে যখন ভোটারদের ভয় দেখানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ, সেই সময় আশপাশে সেভাবে দেখা যায়নি কেন্দ্রীয় বাহিনী কিংবা স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে, এমনই অভিযোগ করেন ভোটাররা। ডোমকলের রায়পুর গ্রামের ভোটাররা এই অভিযোগও করেছেন যে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাঁদের ভয় দেখাচ্ছে তৃণমূলের লোকেরা। ভোট দিতে গেলে মারা হবে, এভাবেই হুমকি দিয়েছে তৃণমূল, অভিযোগ ভোটারদের। আর এই গোটা পরিস্থিতিতে কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল না বলেই অভিযোগ করেন ভোটাররা। 

ডোমকলের ভোটারদের অভিযোগ, তৃণমূলের লোকেরা তাঁদের ভয় দেখাচ্ছে। ভোট দিতে গেলে মারধর করা হবে বলে শাসিয়েছে তারা। সকাল থেকে ছিল না কেন্দ্রীয় বাহিনী। আসেনি পুলিশও। স্বভাবতই নিরাপত্তার কারণে ভোট দিতে যেতে ভয় পাচ্ছেন ভোটাররা। সকাল সকাল তাঁরা এসেছিলেন ভোট দিতে। কিন্তু ভয় দেখিয়ে তাঁদের ভোট দিতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। পরে পুলিশ আসে। সেই সঙ্গে আসে কেন্দ্রীয় বাহিনীও। মাইকিং করে পুলিশ জানায়, ভোটাররা যেন ভোট দিতে যান। ভোট দেওয়ার পর ভোটারদের নিরাপদে বাড়ি ফেরানো হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে পুলিশের তরফে। আপাতত পুলিশি নজরদারিতে লাইন দিয়ে ভোট দিতে যাচ্ছেন রায়পুর গ্রামের ভোটাররা। সকালে ভোটাররা অভিযোগ করেছিলেন যে মিডিয়া যাওয়ার পর সেখানে গিয়েছে পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী। আপাতত পুলিশি ঘেরাটোপে বুথমুখী ভোটাররা। কিন্তু সংশয়ে রয়েছেন তাঁরা। ভোট দেওয়ার পর কী হবে, আদৌ তাঁরা নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারবেন তো? ভোটারদের মনে উঠছে প্রশ্ন। 

You might also like!