Breaking News
 
Narendra Modi: জনসমুদ্রে ‘সোনার বাংলা’র অঙ্গীকার! গেরুয়া ঝড়ে কাঁপল কলকাতা, ব্রিগেডে জনতার শক্তির জয় Suvendu Adhikari: প্রতিশোধ নয়, পরিবর্তনই লক্ষ্য! জোড়াসাঁকো থেকে বিরোধীদের সংযত হওয়ার বার্তা শুভেন্দু অধিকারীর Mamata Banerjee: মমতার অন্ধ স্নেহেই কি ডুবল দল? ফিরহাদ-কন্যার ধৃতরাষ্ট্র-মন্তব্যে পাল্টাহাওয়ার ইঙ্গিত ঘাসফুল শিবিরে Suvendu Adhikari: শ্যামাপ্রসাদের উত্তরসূরি হিসেবে উদয়! ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে বাংলার নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু Kolkata Police :হাতবদল হতেই পরিচয় বদল! কলকাতা পুলিশের এক্স হ্যান্ডেলে অপসারিত ‘দিদি’, জায়গা নিলেন ‘দাদা’ West Bengal Assembly Election Result 2026 :বকেয়া জট কাটল এক লহমায়! শপথের প্রাক্কালে বাংলার উন্নয়ন তহবিলে কেন্দ্রের সবুজ সংকেত

 

West Bengal

2 years ago

Greeting Card: সময়ের অতলে হারিয়েছে গ্রিটিংস! দোকান জুড়ে নেমেছে শূন্যতা

Greetings Card Shop (File Picture)
Greetings Card Shop (File Picture)

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ সময়টা ছিল নব্বই দশক। নতুন বছর এলেই, দোকান সাজত নতুনভাবে। দোকানে সারে সারে ঝুলে থাকত নতুন বছরের শুভেচ্ছাবার্তার দূত। একেকটার দাম ডিজাইনের তারতম্যে একেকরকম হত। তখন সেইসব দোকানের বিক্রেতারা ব্যাস্ত হয়ে ওদের নিয়ে।  নতুন বছরের শুভেচ্ছাবার্তা পৌঁছে যেত বন্ধু থেকে শুরু করে মনের মানুষের কাছে। বন্ধুত্ব, প্রেম ও স্নেহ-ভালবাসায় মিশে দোকানে ঝোলা গ্রিটিংস তখন বছরের শুরুতে শুভেচ্ছা আদানপ্রদানের দূত হয়ে উঠত।  

কার্ডের সাথে প্রিয় মানুষটিকে কবিতা লেখার যে মাধুর্য, আর কি ফিরে পাওয়া যাবে কখনও? এমনকি বন্ধুকে শুভেচ্ছা জানাতে বছরের শেষ দিনগুলোতে জমানো হত হাতখরচ। সেই হাতখরচ থেকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ টাকা তোলা থাকত সবচেয়ে কাছের বন্ধুটির জন্য। তবে এখন গোটাটাই যেন একটা নস্টালজিয়া। সেই সব দিন এখন স্মৃতির অতলে। আজকের দোকানগুলোতে এখন আর গ্রিটিংস ঘিরে মানুষের ঢল নামে না। সময়ের ধারাপাতে সেখানে এখন নেমেছে একরাশ শূন্যতা। স্মার্টফোনের মেসেজে ভালোই জব্দ হয়েছে সেই নববর্ষের বার্তাবাহক। সোশাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা আদান-প্রদানে মানুষ ভুলেছে তাকে। প্রয়োজন ফুরিয়েছে গ্রিটিংসের। 

এমনকি যাঁরা এই কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের কাজও আজ স্তব্ধ হয়েছে। সাত বছর আগের কথা, তখন সিউড়িতে ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ১০০ টি দোকান গ্রিটিংস কার্ড বিক্রি করত। এখন বিক্রি হয় ২টি দোকানে। যে দুটি দোকান গ্রিটিংস কার্ড বিক্রি করছে তাদেরও আক্ষেপ, এই বছর ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাঁদের দোকান থেকে একটিও গ্রিটিংস কার্ড বিক্রি হয়নি। তাঁরা নতুন করে গ্রিটিংস কার্ডের সম্ভার সাজিয়েছে এমনটাও নয়, বিগত দু'বছর ধরে তাঁদের স্টকে থাকা কার্ডগুলিই দোকানের সামনে সাজিয়ে রেখেছেন তাঁরা। যদি বিক্রি হয় সেই আশায়। কিন্তু কই? এই প্রসঙ্গে বোলপুরের (Bolpur News) বাসিন্দা শুভদীপ দাস বলেন, “গ্রিটিংস কার্ড আমাদের কাছে খুব ভালোলাগার বিষয় ছিল। কিন্তু, এখনকার প্রজন্ম আর গ্রিটিংস কার্ড কী তাই বুঝতে পারে না। স্মার্ট ফোনেই মগ্ন তাঁরা। আমার মনে হয় তাঁদের থেকে অনেক কিছু হারিয়ে গেল।” অন্যদিকে, অপর কার্ড বিক্রেতা বাচ্চু মাল বলেন, "গত বছর থেকেই আমরা আর নতুন করে কোনও গ্রিটিংস কার্ড তুলি না। কলকাতায় যেখান থেকে তা কিনে আনতাম সেখানেও পাওয়া যাচ্ছে না। বছর পাঁচেক ধরে গ্রিটিং কার্ডের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না।"

বোলপুরের অপর বিক্রেতা মণিগোপাল কুণ্ডু বলেন, “আমি গত বছরের দুটি কার্ড বিক্রি করেছি। নতুন প্রজন্ম আসে না বললেই চলে। সকলেই তো এখন হোয়াটসঅ্যাপ চালাচালি করে বলে শুনেছি। আমার দোকানে কিছু পুরনো কার্ড ছিল। নতুন করে সেগুলিই সাজিয়ে দিয়েছি। এই প্রজন্মের কেউ এখনও পর্যন্ত কার্ড কেনেনি। তবে শনিবার একজন ১০০ টাকার একটি কার্ড নিয়েছে। তিনি কলেজ পড়ুয়া ছিলেন।”

You might also like!