
বীরভূম, ২৭ ফেব্রুয়ারি : 'জল নেই, আবাস যোজনার বাড়ি নেই, মেলেনি শৌচাগার', খয়রাশোলের পর এবার মহম্মদবাজারে অসন্তোষের মুখে পড়লেন শতাব্দী রায়। দিদির সুরক্ষাকবচ কর্মসূচিতে গিয়ে গ্রামবাসীদের অসন্তোষের মুখে তৃণমূল সাংসদ।
বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতা থেকেও বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জেলার উন্নয়ন বৈঠকে ৯৯ শতাংশ শৌচাগার তৈরির রিপোর্ট পেশ হয়েছে', তার পরেও কেন কাজ হয়নি, খোঁজ নেব, বললেন শতাব্দী। প্রসঙ্গত, বীরভূমে এর আগেও দিদির দূত কর্মসূচিতে গিয়ে ক্ষোভের মুখে পড়েন শতাব্দী রায়। সিউড়ির কৈখি গ্রামে তাঁর গাড়ি আটকে রাস্তা, পানীয় জল নিয়ে অভিযোগ করেন এক বৃদ্ধা। পরে গ্রামে গেলে সেখানেও রাস্তা, নিকাশি ব্যবস্থা নিয়ে অভিযোগ করেন গ্রামবাসীরা।
সোমবার আবার নিজের সংসদীয় এলাকায় ক্ষোভের মুখে পড়লেন বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়। তিনি মহম্মদবাজারে 'দিদির সুরক্ষা কবজ' কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন। সেখানেই মহিলারা সাংসদকে ক্ষোভ জানিয়ে বলেন,' কেন গ্রামের সব বাড়িতে শৌচাগার হয়নি? কেন প্রকৃত প্রাপকরা আবাস যোজনায় বাড়ি পাননি? কেনই বা বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা ?'
সাংসদ শতাব্দী রায় বলেন, 'জেলার উন্নয়ন বৈঠকে ৯৯ শতাংশ শৌচাগার তৈরির রিপোর্ট রয়েছে। তারপরও কেন এখানে হয়নি ? আমি খোঁজ নেব।'
অন্যদিকে, আবার সিউড়ির আলুন্দা পঞ্চায়েতের জুনিদপুর গ্রামে বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীদেরই একাংশ। তাঁদের অভিযোগ, স্থানীয় খেলার মাঠ বিক্রি করে দিয়েছেন পঞ্চায়েত প্রধান, আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরির জন্য কাটমানি নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তাঁরা।
