
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ বর্ষায় ফের ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত রাজ্য জুড়েই। ব্যতিক্রম নয় বাঁকুড়া শহরও। সর্বশেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত, বাঁকুড়া জেলা জুড়ে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ইতিমধ্যেই ৫০ ছাড়িয়েছে। বাঁকুড়া শহরেই আক্রান্তের সংখ্যা ১৪। আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়তে থাকায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে স্বাস্থ্য দফতরের। বাঁকুড়া সহ আশপাশের জেলাগুলির ডেঙ্গি আক্রান্তদের চিকিত্সার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজও। যদিও আশার কথা এখনো পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে কোন মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য , গত বছর বাঁকুড়া শহরেই প্রায় ৩০০ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত হন। তবে শহরবাসীর একাংশের দাবি, নিয়মিত নিকাশী নালা পরিস্কার, বিভিন্ন অংশে নোংরা আবর্জনা পরিস্কার না হওয়াতেই মশার উপদ্রব বাড়ছে। তাঁরা প্রত্যেকেই আতঙ্কিত বলে জানান।
বাঁকুড়া পৌরসভার চেয়ারম্যান অলকা সেন মজুমদার বলেন, শহর জুড়ে সর্বত্র নোংরা আবর্জনা দ্রুত পরিস্কার করা হবে।মহাকুমা শাসক বাঁকুড়া প্রশান্ত কুমার ভক্ত বলেন, পৌর এলাকাতে মাত্র ১৪ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। ব্লক এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে এই ধরণের দু'একটি ঘটনা নজরে এসেছে বল তিনি জানান। তবে সার্বিক দিক দিয়ে গোটা জেলায় জেলায় বাড়ছে সংক্রমণ। গ্রামীণ এলাকায় ডেঙ্গি সংক্রমণ বাড়ার নেপথ্যে রয়েছে সচেতনতার অভাব। সেকারণে স্বাস্থ্যভবনের পক্ষ থেকে বেশি করে সচেতনতায় জোর দিয়েছে স্বাস্থ্যভবন। সব পুরসভাগুলিকে এই নিয়ে সচেতন করা হয়েছে। স্বাস্থ্যভবন এই নিয়ে জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার সপ্তর্ষী চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবারই হাসপাতালের মেডিসিন, পেডিয়াট্রিক্স, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চিকিত্সকদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করা হচ্ছে। এসওপি করা হয়েছে। স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্সও তৈরি করা হয়েছে। বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেই স্পেশ্যাল ইউনিট তৈরি করা হচ্ছে। আলাদা করে জায়গা বরাদ্দ করা হচ্ছে না। মেডিসিন, পেডিয়াট্রিক, অ্যানাথেসিয়ালজি বিভাগের বিশেষজ্ঞরা সেই ইউনিটের দায়িত্বে থাকবেন।
