Annapurna Bhandar | অন্নপূর্ণা যোজনায় কারা যোগ্য, কারা অযোগ্য? উপভোক্তা যাচাইয়ে নতুন নির্দেশ রাজ্য সরকারের

CM Suvendu Adhikari & Annapurna Bhandar
CM Suvendu Adhikari & Annapurna Bhandar

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তা তালিকা নিয়ে এবার কড়া পদক্ষেপের পথে রাজ্য সরকার। তালিকা খতিয়ে দেখে অযোগ্য উপভোক্তাদের নাম বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছে নারী ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজকল্যাণ দপ্তর। এই মর্মে রাজ্যের সমস্ত জেলাশাসক এবং কলকাতা পুরসভার কমিশনারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। সোমবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। ফলে অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধাভোগীদের তালিকায় এবার শুরু হতে চলেছে যাচাই পর্ব।

নারী ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজ কল্যাণ দপ্তর বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য মহিলারা প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পান। সম্প্রতি অক্টোবর মাসে যাঁরা এই প্রকল্পের টাকা পেয়েছেন, তাঁদের তালিকা খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এই মাসের উপভোক্তার তালিকায় বেশ কয়েকজন ভুয়া উপভোক্তা ঢুকে গিয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, তালিকায় কোনও সরকারি কর্মচারী, আয়করদাতা বা মৃত ব্যক্তির নাম থাকলে তদন্ত করে চিহ্নিত করতে হবে। 

দেওয়ালির আগে ৮৪ লক্ষ বার্ধক্য ভাতা, দিব্যাঙ্গ ভাতা, ৩ লক্ষ লোকপ্রসার শিল্পী ভাতা, ১ কোটি ৬৫ লক্ষ অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা বা ভাতা ট্রান্সফার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্নপূর্ণার ৩ হাজার টাকা উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে সাধারণত মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে আসে। তবে কালীপুজো ও দিওয়ালি ৮ তারিখ। সেই মোতাবেক তার আগেই টাকা অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে।

পাশাপাশি রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য সংকল্পপত্রে থাকা ‘ভরসা প্রকল্প’ শুরু বিষয়েও পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই প্রস্তাব পেশ করার পর তা চূড়ান্ত হলে প্রকল্প নিয়ে পদক্ষেপ করা হবে। বুধবার নবান্নে এই ঘোষণা করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, গ্রাজুয়েট এবং নন গ্র্যাজুয়েট যুবক-যুবতীদের জন্য ভরসা স্কিমের কাজ চলছে। তবে, প্রকল্পটি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। যুবসাথী প্রকল্পের ধাঁচেই এই প্রকল্পটি হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

আরও জানানো হয়েছে, ১৩ তারিখ আরও একটি অনুষ্ঠান আছে। সেদিন ৭ লক্ষ কুড়ি হাজার পশ্চিমবঙ্গ আবাস প্রাপকদের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হবে। প্রায় ৪২০০ কোটি টাকা দেওয়া হবে এর জন্য। ৪ কোটি ২০ লক্ষ পশ্চিমবঙ্গের নাগরিকদের আয়ুষ্মান ভারতের কার্ড দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের ৪ তারিখ পর্যন্ত ২ লক্ষ ২০ হাজার মানুষকে আয়ুষ্মান ভারতের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গের বাইরের রাজ্যে থাকা ৬ হাজার জন আয়ুষ্মান ভারতের চিকিৎসা পেয়েছে। তার জন্য ভারত সরকারের ৬০% এবং রাজ্য সরকারের ৪০% অর্থাৎ রাজ্য সরকার ২৩ কোটি টাকা ব্যয় করেছে।

একই সঙ্গে এদিন মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছেন মুর্শিদাবাদের বাবর নামাঙ্কিত কোন মসজিদ করা যাবে না। বাবরকে সরাসরি লুটেরা বলে জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “অনেক কৃতী মানুষ আছেন মুর্শিদাবাদের। তাদের নামে বানাতে পারেন। কিন্তু বাবরের নাম যদি থাকে তাহলে প্ল্যান বা পারমিশন কিছু মিলবে না। এই নির্দেশ জেলার ডিএমকে স্পষ্টভাবে দেওয়া রয়েছে।”

শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…