
ভাঙড়, ১২ জুলাই : পঞ্চায়েত ভোটের ফলপ্রকাশের রাতেও অশান্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়। মঙ্গলবার গভীর রাতে পঞ্চায়েত ভোট গণনার শেষ পর্বে কাঁঠালিয়া স্কুলে গণনা কেন্দ্রের সামনেই বোমাবাজি হয়, চলে গুলিও। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় এক আইএসএফ কর্মীর।গুরুতর আহত আরও এক আইএসএফ কর্মী।পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধে জড়ালেন আইএসএফ কর্মীরা।
অভিযোগ, পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা নিয়ে হামলা করেন কয়েক জন আইএসএফ কর্মী। গন্ডগোলে পুলিশের পদস্থ কর্তা আহত হয়েছেন বলে খবর। পাশাপাশি আইএসএফের কয়েক জন কর্মীও জখম হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে। পুলিশ সূত্রে খবর, বোমার আঘাতে জখম হয়েছন বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেড কোয়ার্টার মাকসুদ হাসান। গুলি লেগেছে তাঁর দেহরক্ষীর পায়ে।
অভিযোগ, জেলা পরিষদের আসনে আইএসএফ এগিয়ে থাকায় পুনর্গণনার দাবি জানায় তৃণমূল কংগ্রেস। এই নিয়ে গন্ডগোল চরমে ওঠে। সেইসময় গণনা কেন্দ্রে ছিলেন তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে হাকিমুল। এর মধ্যেই পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায় আইএসএফ কর্মীদের। শুরু হয় বোমাবাজি। জমায়েত ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট ছোড়ে পুলিশ। ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে এক আইএসএফ কর্মীর। বুধবার সকালে বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে যান এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সিদ্ধিনাথ গুপ্ত।
