Life Style News

1 month ago

Love & Work: সঙ্গীর সঙ্গে বাড়ছে দূরত্ব? অফিসের স্ট্রেস কাটিয়ে সম্পর্কে রোমান্স ফেরানোর সেরা ফর্মুলা এখন আপনার হাতে!

Beat Office Stress, Boost Your Love Life
Beat Office Stress, Boost Your Love Life

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: ব্যস্ত ক্যারিয়ার আর যান্ত্রিক জীবনের চাপে আজকের দাম্পত্যগুলো যেন এক একটা নিঃসঙ্গ দ্বীপ। আমরা সাফল্যের পেছনে ছুটতে গিয়ে জীবনসঙ্গীর নিঃশব্দ প্রয়োজনগুলো এড়িয়ে যাই। এই দীর্ঘ অবহেলা সম্পর্কের গভীরতা কমিয়ে দেয়। দেখা যায়, বছরের পর বছর একসাথে থেকেও দুটি মানুষ একে অপরের কাছে অচেনা হয়ে গেছে। সম্পর্কের বাঁধন যখন আলগা হয়ে যায়, তখন সেই পুরনো উষ্ণতা ফিরিয়ে আনা সত্যিই এক বড় চ্যালেঞ্জ। 

১. ব্যস্ততা জীবনের অঙ্গ, তা থাকবেই। এর জন্য স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে দূরত্ব বাড়ালে চলবে না। মনে রাখবেন সঙ্গীর মনের কথা জানার জন্য কিন্তু প্রতিমুহূর্তে তাঁর সঙ্গে কথা বলার কোনও প্রয়োজন নেই। বরং বুঝে নিন তাঁর মনের কথা। অর্থাৎ ধরুন দেখলেন বিধ্বস্ত হয়ে সঙ্গী বাড়ি ফিরেছেন। তখন কফি খাবে কি না, তা জিজ্ঞেস করার প্রয়োজন নেই। বরং দু’কাপ কফি হাতে সঙ্গীর কাছে চলে যান। বাইরে ডিনারের প্ল্যান করুন। এসব ক্ষেত্রে কিন্তু পরামর্শ নয়, সারপ্রাইজ পেতেই পছন্দ করেন যে কেউ।

২. যে কোনও সফল সম্পর্কের মূল হল স্পষ্ট কথোপকথন। অনেকক্ষেত্রেই দেখা যায়, সমস্যা বা আপত্তির কথা সরাসরি না জানিয়ে সঙ্গীকে খোঁচা দিয়ে কথা বলেন অনেকে। ‘তোমার আমার জন্য সময় নেই’, ‘তোমার জীবনে আমার থেকে কাজ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ‘, এই ধরণের অভিযোগ শোনা যায় প্রতি ঘরে। কিন্ত জানেন কি কথার ধরন বদলালেই সম্পর্ক অনেক বেশি মজবুত হয়। যদি সঙ্গীকে বলেন, ‘আমি তোমাকে মিস করি, তোমার সঙ্গ চাই’, তা কিন্তু দাম্পত্যের ভীত পোক্ত করে।

৩. অনেকেই বিয়ের পর সঙ্গীর উপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। এটা কিন্তু সুখী দাম্পত্যের পরিপন্থী। জীবনের প্রতিক্ষেত্রেই স্বামী-স্ত্রী উভয়ের ভূমিকাই সমান হওয়া বাঞ্চনীয়। নিজের স্বত্তাকে হারিয়ে ফেলবেন না। কাজ, বন্ধুবান্ধব, নিজের শখ সবকিছুকে সঙ্গে নিয়েই এগোবেন। তবে সেগুলোর জন্য সঙ্গীকে অবহেলা করাও চলবে না।

৪. সম্পর্কের ক্ষেত্রে মানসিক বন্ধন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সময় কম দিলেও যদিও মানসিক দিক থেকে কাছাকাছি থাকেন তাহলে ভাবনার কোনও কারণ নেই। অন্যথায় এক নিয়মিত দীর্ঘ সময় একে অপরের সঙ্গে কাটানোও কিন্তু অর্থহীন।

৫. কাজের চাপে সব সময় সঙ্গীর সঙ্গে থাকা কারও পক্ষেই সম্ভব হয় না। দেখা যায়, বিশেষ দিনগুলোতেও হয়তো দু’জন থাকেন দুপ্রান্তে। তবে শারীরিকভাবে একসঙ্গে থাকতে না পারলেও মানসিকভাবে প্রতিমুহূর্তে সঙ্গীকে সঙ্গ দিন। যতটুকু সময় তাঁর সঙ্গে থাকবেন, সেখানে আর পরিবার ছাড়া কাউকে অ্যালাউ করবেন না। কাজকে তো ভুলেও নয়।

৬. দোষে-গুণে মানুষ। ভুল-ত্রুটি যেমন সকলেই করেন, তেমন দেখা যায় বাহবা পাওয়ার তালিকাও থাকে অনেককিছু। ব্যস্ততার কারণে সঙ্গীর সেই গুণ, ত্যাগকে এড়িয়ে যান অনেকেই। কেউ আবার ইচ্ছে করেই গুরুত্ব দেন না স্বাভাবিক প্রবৃত্তি ভেবে। এই ভুলটা করবেন না। সঙ্গীর প্রশংসা করুন। দেখবেন শত ব্যস্ততার মাঝে আপনার একটু প্রশংসা সঙ্গীর গোটা দিনটা সুন্দর করে তুলবে।

You might also like!