Breaking News
 
Vivekananda Merit Scholarship :শিক্ষাক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ, মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য চালু হল বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ Chief Minister Suvendu Adhikari : র্নীতি ও কাটমানি খতিয়ে দেখতে কমিশন গড়লেন শুভেন্দু, সঙ্গে নারী নির্যাতন নিয়েও আলাদা কমিশন CM Suvendu Adhikari starts Janatar darbar : সল্টলেকে বিজেপি দফতরে শুভেন্দুর ‘জনতার দরবার’, জনতার সমস্যা শুনে মিলল স্বস্তি Suvendu Adhikary: “কাশ্মীরে বন্ধ হয়েছে, এখানেও হবে”—পার্ক সার্কাসে দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি ,গ্রেফতার ৪০ Suvendu Adhikari :রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড়, আর জি কর ইস্যুতে স্বাস্থ্যসচিবকে জরুরি তলব মুখ্যমন্ত্রীর Annapurna Bhandar : অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিমে নতুন ঘোষণা, ১ জুন থেকেই ৩ হাজার টাকা পাবেন নির্দিষ্ট উপভোক্তারা

 

kolkata

2 years ago

Dengue In Kolkata 2023 : ডেঙ্গি রোখার চেষ্টায় কলকাতার জলাশয় সাফাই, টাকা দেবে কে

Dengue
Dengue

 

কলকাতা, ২৩ সেপ্টেম্বর : কলকাতায় বাড়ছে ডেঙ্গি। এই পরিস্থিতিতে ডেঙ্গির আঁতুড়ঘর বিনাশ করতে শহরের সব পুকুর ও জলাশয়ের আবর্জনা পরিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুরসভা। তার জন্য বরো এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, অর্থাভাবে জর্জরিত পুরসভাকে এই টাকা দেবে কে?

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ছোট-বড় মিলিয়ে কলকাতা শহরে প্রায় ৩৫০০ পুকুর রয়েছে। তার একটা বড় অংশই অব্যবহৃত। পুকুরের জলে ও পাড়ে আবর্জনা পড়ে থাকে। সেখানে দেদার জন্মাচ্ছে ডেঙ্গির মশা। এ নিয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে অভিযোগও আসছে পুরসভার কাছে। মুখ্যমন্ত্রীর দফতরেও বেশ কিছু অভিযোগ জমা পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে পুরসভা সে ভাবে গুরুত্ব না দিলেও নড়েচড়ে বসেছেন পুরকর্তারা। সেই মতো পুকুর সাফাই অভিযানে নামছে পুরসভা।

এই সিদ্ধান্তে অবশ্য চিন্তায় পুরসভার অর্থ বিভাগের কর্তারা। পুকুর সাফাইয়ের জন্য পুর ইঞ্জিনিয়াররা প্রাথমিক ভাবে যে খরচের হিসেব দিচ্ছেন, তাতে একটা পুকুর সাফাইয়ে গড়ে এক থেকে দেড় লক্ষ টাকা খরচ হবে। মোট খরচ দাঁড়াবে প্রায় ৩০-৪০ কোটি টাকা। এই বিপুল পরিমাণ টাকা কোথা থেকে আসবে, তা বুঝতে পারছেন না অর্থ বিভাগের আধিকারিকরা। কারণ, পুর বাজেটে এই খাতে আলাদা করে কোনও টাকা ধরা নেই। ফলে এই টাকা খরচ করলে জরুরি পরিষেবায় টান পড়বে।

পুরসভার এক বরো এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার শনিবার বলেন, ''যাদের দিয়ে আমরা পুকুর সাফাই করবো তারা যদি সময়ে টাকা না পায় তখন আমাদেরই ধরবে। এই রকমের কাজের জন্য পুরসভার আলাদা একটা বিভাগ (পিএমইউ) রয়েছে। তাদের বাদ দিয়ে কেন বরো এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারদের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে, সেটাও আমাদের বোধগম্য হচ্ছে না।'' স্বপন সমাদ্দার অবশ্য বলছেন, ''টাকা কোথা থেকে আসবে, সেটা আমরা দেখে নেব। ইঞ্জিনিয়ারদের এ সব নিয়ে ভাবতে হবে না।''


You might also like!