
কলকাতা, ৩০ ডিসেম্বর : যাত্রী নিয়ে হাওড়া থেকে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস দৌড়বে পয়লা জানুয়ারি থেকে। বোলপুর (শান্তিনিকেতন)-এর পাশাপাশি বারসোই এবং মালদহ স্টেশনে স্টপেজ হবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের। অত্যাধুনিক এই ট্রেনে দুই ধরণের কোচ রয়েছে, একটি ইকোনমি এবং অন্যটি এক্সিকিউটিভ ক্লাস। শুক্রবার হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নতুন বছরের প্রথম দিনই যাত্রী নিয়ে ছুটবে সুপারফাস্ট এই ট্রেন।
শুক্রবার উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের সিপিআরও সব্যসাচী দে বলেছেন, বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের টিকিট ২০২৩ সালের পয়লা জানুয়ারি থেকে পাওয়া যাবে। এক্সিকিউটিভ ক্লাস ক্যাটাগরির জন্য চার্জ হবে ২,৮২৫ টাকা এবং এসি চেয়ার কার (সিসি) ক্যাটাগরির জন্য টিকিটের দাম রাখা হয়েছে ১,৫৬৫ টাকা।" বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের গতি ঘণ্টায় সর্বাধিক ১৮০ কিলোমিটার। কিন্তু হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি রুটে বন্দে ভারতের সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটারের সীমা পেরোবে না বলেই রেল সূত্রে খবর। বস্তুত, এই গতিবেগও সর্বত্র এক রকম থাকবে না। রেল জানাচ্ছে, ডানকুনি থেকে খানা জংশনের মধ্যে বন্দে ভারতের সর্বাধিক গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার। তারপর রেললাইনের স্বাস্থ্যের কারণেই গতি আর বাড়ানো যাবে না। এমনকি ১০০ কিলোমিটার গতিবেগেও চালানো যাবে না ট্রেন। যাত্রাপথের বাকি অংশে বন্দে ভারতের গতি থাকবে ঘণ্টায় ৭০ থেকে ৯০ কিলোমিটারে।
