
কলকাতা, ১৯ আগস্ট : হুগলি সেতুর সংস্কারের কাজ শুরু হলে সেখানে যানচলাচল নিয়ন্ত্রিত হবে। ফলে ট্র্যাফিক প্রশাসনের উপর বাড়তি চাপ তৈরি হবে। তাই ঠিক করা হয়েছে, পুজো এবং উৎসবের দিনগুলির ভিড় কেটে যাওয়ার পর নভেম্বর মাসে সেতুর সংস্কারের কাজে হাত দেবে রাজ্য প্রশাসন।
সব ঠিকঠাক থাকলে নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে দ্বিতীয় হুগলি সেতু সংস্কারের কাজ শুরু হতে পারে। সম্প্রতি নবান্ন সূত্রে এমনই জানা গিয়েছে। যদিও প্রথমে ঠিক হয়েছিল, পুজোর আগেই সংস্কারের কাজে হাত দেওয়া হবে। কিন্তু উৎসবের মরশুমে ওই কাজ ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হতে পারে বলে মনে করছে রাজ্য প্রশাসন। শারদোৎসব থেকে শুরু করে দীপাবলির সময় শহর কলকাতা ও শহরতলিতে চাপ বাড়ে ট্র্যাফিকের উপর। তাই এমন সময়ে দ্বিতীয় হুগলি সেতুর সংস্কারে নামছে না সরকার।
গোটা বিষয়টি নিয়ে নবান্নে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। তাতে পূর্ত দফতরের আধিকারিকরা ছাড়াও ছিলেন রাজ্য প্রশাসনের বরিষ্ঠ পুলিশকর্তারা। সেখানে সেতু সংস্কারের কাজে কী কী ধরনের সমস্যা আসতে পারে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলেই খবর।
প্রতিদিন এই সেতু দিয়ে প্রচুর গাড়ি যাতায়াত করে। রাজ্য সরকারের সদর দফতর তথা মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় নবান্ন যেতে গেলেও এই সেতুটিই অন্যতম পথ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে যেতে এই পথই ব্যবহার করেন। রাজ্যের বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও সেতুটির গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ, দিল্লি ও বম্বে রোড দিয়ে দ্রুত কলকাতায় প্রবেশ করতে গেলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই সেতুটি ব্যবহার করা হয়।
অনেক ক্ষেত্রেই ব্যবসায়িক কাজকর্মের জন্য কলকাতার সঙ্গে অন্য জেলা তথা ভিন্ রাজ্য থেকে আসা যানবাহনগুলি যোগাযোগের জন্য এই সেতুটি ব্যবহার করে। পাশাপাশি, দ্বিতীয় হুগলি সেতু থেকে টোল আদায়ের মাধ্যমেও রাজস্ব আদায় হয়।
