
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ জোড়া উৎসবে মাতলো সরশুনা, গল্ফগ্রিন থেকে শুরু করে মানিকতলা ও টালা। সোমবার ছিল বিশ্বকর্ম্মা পুজো আর মঙ্গলবার গণেশ চতুর্থী। সেভাবে দেখলে রবিবার থেকেই উৎসবের পালে হাওয়া লেগেছিল, যে কারনে রবিবার সকাল থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল মণ্ডপে বক্স বাজানোর তোড়জোড়। দুপুর পেরোতেই তা তারস্বরে বাজতে শুরু হয়। যা বেজে চলেছিল রাত পর্যন্ত। বিশ্বকর্মা পুজোর এক দিন আগে থেকে শুরু হওয়া শব্দের এই ‘তাণ্ডবে’ অতিষ্ঠ বহু এলাকার বাসিন্দারা আওয়াজ কমানোর অনুরোধ জানিয়ে থানায় ফোনও করেন উদ্যোক্তাদের। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তাতে কাজ হয়নি বলে অভিযোগ।
শহরের উত্তর থেকে দক্ষিণ একই অভিযোগ, শব্দ দানবের তান্ডবে অতিষ্ট জীবন। বিশ্বকর্মা পুজোর পরদিন গণেশ চতুর্থী থাকায় এই দৌরাত্ম্য বেড়েছে আরো।
দক্ষিণ কলকাতার হরিদেবপুরের ব্যানার্জি পাড়ার বড় অংশ মুড়ে ফেলা হয়েছিল মাইক এবং বক্সে। উপলক্ষ, একটি অটো রুটের ইউনিয়ন পরিচালিত বিশ্বকর্মা পুজো। রবিবার থেকে শুরু হওয়া সেই উৎসব মঙ্গলবারেও শেষ হয়নি।সরশুনা, পর্ণশ্রী, গল্ফগ্রিন, যাদবপুর, টালিগঞ্জ মেট্রো স্টেশন, বাগবাজার, উল্টোডাঙা, মানিকতলা ও টালা এলাকাতেও পুজো ঘিরে গত দু'দিনের ছবিটা প্রায় একই রকম ছিল। এই শব্দের দাপটে সব থেকে বেশি সমস্যায় পড়ছেন শিশু, বয়স্ক এবং পোষ্যেরা। পরিস্থির জেরে বেশ চিন্তায় রয়েছেন শহর বাসী।
বহু ক্ষেত্রে পুলিশ প্রশাসন বধির থেকেছে বলে দাবি স্থানীয়দের। ভুক্তভোগী বাসিন্দাদের প্রশ্ন, বিশ্বকর্মা পুজোতেই যদি এই অবস্থা হয়, তা হলে দুর্গাপুজো বা কালীপুজোয় কী হতে চলেছে? একই আশঙ্কা পরিবেশ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদেরও।
যদিও পুলিশের দাবি এ সব ক্ষেত্রে নজরদারি চলে, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থাও নেওয়া হয়।
