kolkata

1 hour ago

Enforcement Directorate: জমি দখল মামলায় নতুন মোড়, ইডির রাডারে পুলিশকর্তা থেকে সোনা পাপ্পুর পরিবার

Several police officials close to Shantanu are on the ED's radar over land grabbing
Several police officials close to Shantanu are on the ED's radar over land grabbing

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: বেআইনি জমি দখল ও আর্থিক অনিয়ম সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের গ্রেপ্তারির পর তদন্তের পরিধি আরও বিস্তৃত করছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এবার প্রাক্তন পুলিশকর্তার ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল এমন তিন পুলিশ আধিকারিককে ইডি নোটিস পাঠিয়েছে। তাঁদের মধ্যে কলকাতা পুলিশের কর্মরত আধিকারিক নরুল আমিনও রয়েছেন। সেই নোটিসের ভিত্তিতে বুধবার তিনি ইডি দপ্তরে হাজিরা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। শুধু পুলিশ আধিকারিকরাই নন, এই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া সোনা পাপ্পুর পরিবারের কয়েকজন সদস্যকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর। তদন্তকারীরা আর্থিক লেনদেন, সম্পত্তি সংক্রান্ত নথি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখছেন বলে জানা যাচ্ছে। শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে কেন্দ্র করে চলা তদন্তে নতুন তথ্যের খোঁজে একের পর এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ইডি। সেই সূত্র ধরেই তদন্তের জাল আরও বিস্তৃত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। 

বেআইনিভাবে জমি দখল-সহ একাধিক অভিযোগে তদন্ত চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। মামলার তদন্তে বালিগঞ্জ এলাকার ‘ত্রাস’ সোনা পাপ্পুর নাম সামনে আসে। তাঁর বিরুদ্ধে জমি দখল ছাড়াও তোলাবাজি-সহ একাধিক ধারায় অভিযোগ রয়েছে। এমনকী অস্ত্র আইন মামলাতেও নাম জড়িয়েছে ধৃত পাপ্পুর। শুধু তাই নয়, গ্রেপ্তার হয়েছেন বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদার। তাঁকে জেরা করেই কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের নাম সামনে আসে। তাঁর ফার্ন রোডের বাড়িতে তল্লাশিতে চালিয়ে একাধিক নথি বাজেয়াপ্ত করেন তদন্তকারীরা। 

এমনকী সোনা পাপ্পু, জয় কামদারকে সুবিধা পাইয়ে দিতে মোটা অঙ্কের টাকা যে প্রাক্তন পুলিশকর্তার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে, সেই সংক্রান্ত তথ্যও ইডির হাতে এসেছে বলে খবর। তদন্তকারীরা মনে করছেন, শুধু শান্তনুই নয়, তাঁর ঘনিষ্ঠ একাধিক পুলিশকর্তার কাছেও বিভিন্ন আর্থিক সুবিধা পৌঁছে গিয়েছে বলে অনুমান তদন্তকারীরা। এই বিষয়ে আরও নিশ্চিত হতেই প্রাক্তন পুলিশকর্তার ঘনিষ্ঠ তিন পুলিশকর্তাকে তলব করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর। বলে রাখা প্রয়োজন, এর আগে নরুল আমিনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। বেশ কিছু তথ্য উদ্ধার হয়। তাঁকেও এদিন তলব করা হয়েছে বলে খবর।

অন্যদিকে এই মামলায় সোনা পাপ্পুর স্ত্রী এবং পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি। ধৃত পাপ্পুর বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় একটি সেভেন এমএম পিস্তল পায় পুলিশ। তা কেনা হয় সোনা পাপ্পুর স্ত্রীয়ের নামে। আগ্নেয়াস্ত্রটি বিক্রি করেছিল জয়ের সংস্থা। শুধু তাই নয়, সোনা পাপ্পু এবং জয়ের সংস্থার মধ্যে কোটি কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে বলেও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। কেন ওই টাকা লেনদেন হয়েছিল? বন্দুক কেনারই বা কেন প্রয়োজন ছিল? তা জানতেই পাপ্পুর পরিবারের সদস্যদের জেরা করার প্রয়োজন বলে মনে করছে ইডি। 


You might also like!