
কলকাতা, ৩১ ডিসেম্বর : শুক্রবারের সরকারি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মঞ্চে ওঠার সময় বিজেপি বিধায়ক-সাংসদদের দিক থেকে জয় শ্রীরাম স্লোগান ঘিরে যে বিতর্ক দেখা দিয়েছে, তাতে নেটনাগরিকরা স্পষ্টতই দ্বিধাবিভক্ত। একটি বাংলা সংবাদ চ্যানেলে এই স্লোগানের ভিডিওতে শনিবার দেখা যাচ্ছে শনিবার বেলা সাড়ে চারটে পর্যন্ত এটি দেখেছেন ১৪ লক্ষেরও বেশি নেটনাগরিক। লাইক, মন্তব্য ও শেয়ার হয়েছে যথাক্রমে ৫৮ হাজার, ৭ হাজার৭০০ ও ৩ হাজার ২০০। সুখেন রায় লিখেছেন, “ক্ষমতায় থাকতেই এই অবস্থা, আর যখন ক্ষমতায় থাকবে না তখন তো পাগল বানিয়ে ছাড়বে। যে পরিমাণ পাপ উনি করেছেন কি অবস্থা হয় দেখুন।” গৌরশঙ্কর করলিখেছেন, “এটা প্রত্যাশিত ছিল বাঙলার ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল কিন্তু মিঠুন চক্রবর্তী নেই এটা তারই পুরষ্কার। আপনি ঢিল ছুড়লে পাটকেল তো খেতে হবে।”
সোমনাথ মাজি লিখেছেন, “পশ্চিমবাংলায় এরকম অনেক সরকারি অনুষ্ঠান দেখেছি যেখানে জয় বাংলা স্লোগান দেয়া হয়েছে।“ দুর্গাশঙ্কর দত্ত লিখেছেন, “যেচে নিমন্ত্রণ নিলে এই রকমই হয় নিজে যখন রেল মন্ত্রী ছিলেন সেই সময়ের কথা মনে পড়েলো কি?” অমৃত মন্ডল লিখেছেন, “পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী জয় শ্রী রাম শুনে অনুষ্ঠান মঞ্চে উঠলেন না আসলে উনি তো বিধর্মী মানুষ।” গণেশ মান্না লিখেছেন, “জনগণের আবেগকে ধরে রাখা যায় না এতে মাননীয়ার রাগ করার বিষয় নয় সরকারি অনুষ্ঠানগুলো জেলায় জেলায় যা করেন তারই ফল।“
শুভঙ্কর বাছার লিখেছেন, “বিজেপিকে ধিক্কার!
অসভ্যতার যে বেনজির নিদর্শন তাঁরা দেখালেন, তা আবারও প্রমাণ করে দিল এরা দেশ এবং বাংলার সভ্যতা-সৌজন্য ও শিষ্টাচারের সংস্কৃতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ।
বাংলার মানুষ প্রতি ইঞ্চিতে এদের পর্যুদস্ত করবে।“
মেহেদি হাসান লিখেছেন, “দেশ চলছে ফাইভজি গতিতে আর অন্ধ ভক্তগুলো পড়ে আছে সেই টুজিতেই।”
শেখ হাবিব লিখেছেন, “এটাই বিজেপি পার্টির কালচার।” জাকির হোসেন লিখেছেন, “বিজেপি থেকে বলা হয় শিক্ষা তথা কোন সরকারি প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় পোষাক বা স্লোগান গ্রহনযোগ্য নয়। কিন্তু তারাই চলে উল্টো পথে। ধর্ম অবমাননাকারীদের মুখেই এসব শোনা যায়। কথায় আছে না ভূতের মুখে রাম নাম। নিশ্চিত ভাবে এদের কারণেই ধর্মরটার ভাবমূর্তি রসাতলে যাবে।”
মম্মদ আনিুল রহমান লিখেছেন, “এটাই বিজেপি পার্টির কালচার।” চিন্ময় মিত্র লিখেছেন, “বেশী বাড় বেড়েছে, হাওয়া হয়ে যাবে। মুখ্যমন্ত্রীকে অপমান করার সাহস কোথা থেকে পায়। ভালোই হয়েছে, যতটুকু দলের ড্যামেজ হয়েছিল এর ফলে তার দশগুণ মানুষের মনে জায়গা করে নিলো। এই জিনিসটা যদি উল্টে যায়, তখন কি রকম লাগবে। যাদের রাজনীতির কোনো ধ্যান ধারণাই নেই তাদের হাতে বাংলার মানুষ ক্ষমতা তুলে দেবে। এটা কোন ধরণের সৌজন্যতা। এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।”
