
কলকাতা, ৬ সেপ্টেম্বর : মঙ্গলবারের পর বুধবার, ফের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসরোর প্রতিনিধিদল। মূলত ব়্যাগিং রুখতে কী ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা যায় সেটা খতিয়ে দেখেন প্রতিনিধিরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস চত্বর, হস্টেলে নজরদারিতে কী কী পদক্ষেপ করা যায়, তাও দেখছেন বিজ্ঞানীরা। প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার মৃত্যুর জেরে ইউজিসি-এর নির্দেশিকা মেনে সিসিটিভি বসছে যাদবপুরে। সরকারি একটি সংস্থাকে বরাত দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বস্তুত, কোথায় কোথায় সিসি ক্যামেবার বসবে, ক্যাম্পাসে গিয়ে তা খতিয়ে দেখেছেন ওই সংস্থার আধিকারিকরা। শুধু তাই নয়, বহিরাগতদের রুখতে বিশ্ববিদ্যালয় ও হস্টেলে গেটে এক্স-সার্ভিসম্যান মোতায়েনেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যাদবপুরে র্যাগিং রুখতে ইসরো প্রযুক্তি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন আচার্য, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। কীভাবে? ভারতের চন্দ্রাভিযান সফল হওয়ার পর, ইসরো চেয়ারম্যান এস সোমনাথের সঙ্গে সঙ্গে কথা বলেন তিনি। রাজ্যপালকে সাহায্য আশ্বাস দিয়ে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। এই উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ।
