Breaking News
 
Vivekananda Merit Scholarship :শিক্ষাক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ, মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য চালু হল বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ Chief Minister Suvendu Adhikari : র্নীতি ও কাটমানি খতিয়ে দেখতে কমিশন গড়লেন শুভেন্দু, সঙ্গে নারী নির্যাতন নিয়েও আলাদা কমিশন CM Suvendu Adhikari starts Janatar darbar : সল্টলেকে বিজেপি দফতরে শুভেন্দুর ‘জনতার দরবার’, জনতার সমস্যা শুনে মিলল স্বস্তি Suvendu Adhikary: “কাশ্মীরে বন্ধ হয়েছে, এখানেও হবে”—পার্ক সার্কাসে দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি ,গ্রেফতার ৪০ Suvendu Adhikari :রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড়, আর জি কর ইস্যুতে স্বাস্থ্যসচিবকে জরুরি তলব মুখ্যমন্ত্রীর Annapurna Bhandar : অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিমে নতুন ঘোষণা, ১ জুন থেকেই ৩ হাজার টাকা পাবেন নির্দিষ্ট উপভোক্তারা

 

kolkata

2 years ago

Purabhaban : পুরভবনে তুলকালাম শাসক-বিরোধী দু'দল কাউন্সিলরে

Purabhaban Today's Incident (Collected)
Purabhaban Today's Incident (Collected)

 

কলকাতা, ১৬ সেপ্টেম্বর  : শনিবার বারবেলায় কলকাতা পুরসভার অধিবেশন চলাকালীন এক লজ্জার দৃশ্য দেখা গেল। অধিবেশন চলাকালীনই তুমুূল বচসায় জড়ালেন শাসক-বিরোধী দু’দল কাউন্সিলর। শুরু হর ধাক্কাধাক্কি তৃণমূলের অসিত বসুর সঙ্গে বিজেপি-র সজল ঘোষ, বিজয় ওঝার কার্যত হাতাহাতি বাধে।

একে অপরের উদ্দেশে কটূ কথা ছুড়ে দেন। কলার ধরাধরি-ধাক্কা-ঠেলাঠেলি কোনওটাই বাদ পড়ল না। শেষমেশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ময়দানে নামতে হয় মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেও। অভিযোগ, হেনস্থার শিকার হতে হয় তাঁকেও।

শনিবার কলকাতা পুরসভার অধিবেশন চলছিল। সেই সময় বিরোধীদের কোনও প্রশ্ন ছিল না। অভিযোগ, তৃণমূলের মালা রায় সজল ঘোষকে উদ্দেশ্য করে বলেন যে আপনাদের বিরোধীদের কেন কোনও প্রশ্ন থাকে না? তার উত্তরে বিজেপি নেতা বলেন, “বলেও কোনও লাভ হয় না। মেয়র-ডেপুটি মেয়র কোনও উত্তর দেয় না।”

সেই সময় সজল ঘোষ এবং বিজয় ওঝার দিকে তৃণমূল কাউন্সিল অসীম বসু তেড়ে যান বলে অভিযোগ। তাঁর দাবি মেয়রকে নিয়ে এই ধরনের মন্তব্য করা যায় না। এরপরই শুরু হয় বাকযুদ্ধ। তারপর তা গড়ায় হাতাহাতিতে।

অভিযোগ, তৃণমূল কাউন্সিলর সুদীপ পোল্লে, মহেশ শর্মা সহ একাধিক তৃণমূল কাউন্সিলর বিজেপি কাউন্সিলরদের উপর চড়াও হন। মারধরের অভিযোগ ওঠে। এরপর মালা রায় অধিবেশনকক্ষে তাঁর আসন থেকে উঠে বেরিয়ে যান। মেয়র-ডেপুটি মেয়র থামাতে গেলে তাদেরও ধাক্কা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বেশ কিছুক্ষণ গণ্ডগোল চলার পর পরিস্থিতি ঠান্ডা হয়। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, “রাজ্যটাকে গোয়াল ঘরে পরিণত করেছে তৃণমূল। দোসর হয়েছে বিজেপি। ওইখানে মেয়র-চেয়ারম্যান রয়েছেন তাঁরা কী করছিলেন? শুধু লুঠের ব্যবসা চলে।”


You might also like!