কলকাতা, ১২ সেপ্টেম্বর : যাদবপুরে প্রথম বর্ষের ছাত্রর মৃত্যুর জেরে ধৃতকে আদালতে হেনস্থা করার ঘটনায় সমর্থন জানালেন অধিকাংশ নেটনাগরিক। সোমবার অভিযুক্ত ১২ পড়ুয়াকে আলিপুরের বিশেষ পসকো আদালতে নিয়ে এলে পুলিশের গাড়ি থেকে নামার পর এক বয়স্ক মহিলা আইনজীবী করেকজন অভিযুক্তকে জামার কলার ধরে বাধাক্কা দিয়ে হেনস্থা করেন।
বিষয়টি একটি সংবাদ চ্যানেল সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করলে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ১৪ ঘন্টায় লাইক, মন্তব্য ও শেয়ার হয়েছে যথাক্রমে ৬৭৬, ১৪৬ ও ২০। নেটনাগরিকদের সিংহভাগ, বলা যেতে পারে প্রায় সবাই সমর্থন করেছেন ওই আইনজীবীকে। যদিও ওই আইনজীবী যখন এই খাজ করছিলেন, তাঁকে নিরস্ত ও সমালোচনা করছিলেন সমবেত অন্যরা।
এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় সুমক মিত্র লিখেছেন, “একদম ঠিক করেছেন, আর কবে উচিত শাস্তি দেওয়া হবে? অনেক দিন তো হয়ে গেল। এমন শাস্তি দিতে হবে যে ভবিষ্যতে কেউ যাতে না রাগিং করতে পারে।“ শবরী বসু সেনগুপ্ত লিখেছেন, “একদম ঠিক কাজ করেছেন।”
পুস্পশ্রী ঘোষ লিখেছেন, “খুব ভাল করেছেন। এ রকম আগে করলে আরও ভাল হত।” শাশ্বতী বিশ্বাস লিখেছেন, “একদম ঠিক কাজ করেছেন।” নিবেদিতা মৈত্র মুখার্জি লিখেছেন, “সরকার যখন সাজা দিতে ব্যর্থ,, তখন মানুষ নিজের হাতেই আইন তুলে নেবে! এটাই স্বাভাবিক।”
অঞ্জলি ব্যানার্জি লিখেছেন, “যা হয়েছে, ঠিক হয়েছে।” সৌগত সাহা লিখেছেন, “সঠিক কাজ। অনেক ধন্যবাদ আইনজীবীকে।”
মৌসুমী ভট্টাচার্য লিখেছেন, “মানুষের ধৈর্য্যরো একটা সীমা আছে সেটা যখন অতিক্রম করে তখন কিন্ত ভয়ানক হয়, আইনের ওপরে আস্থা হারিয়ে শেষপর্যন্ত আইন নিজেদের হাতেই তুলে নিতে বাধ্য হয়।”
প্রণোজিৎ বিশ্বাস লিখেছেন, “আমাদের দেশে দোষীদের হয়ে উকিলদের দাঁড়ানো টাই সব চেয়ে দোষের।” কৈলাশ দাস লিখেছেন, “দারুন হয়েছে, সব কটাকে দরকার এইরকম।” সুমিত রায় লিখেছেন, “১০০% ঠিক। ঠিক করেছেন। আর কবে শাস্তি হবে। অনেক দিন তো হলো।”
