
কলকাতা, ১৭ আগস্ট : বৃহস্পতিবার সকালেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা হন দিলীপ ঘোষ। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যাতেই নিজের বাসভবনে দিলীপের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বুধবার রাতে এসেছিল অমিত শাহের ফোন।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারে কোনও বৈঠকে ডাক পাননি বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। দিলীপবাবুকে কেন এই জরুরি তলব? দিলীপের কি কোনও ‘প্রাপ্তিযোগ’ রয়েছে? নাকি সদ্য দলের সব পদ-হারানো বাংলার প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা প্রাক্তন সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপবাবুর মানভঞ্জনই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উদ্দেশ্য? নানা জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্য বিজেপির অন্দরে?
সদ্যই বাংলা সফরে এসেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা। মোট তিনটি কর্মসূচিতে দিলীপবাবুর সঙ্গে নড্ডার সাক্ষাৎ হয়। তবে প্রাক্তন সহ-সভাপতির সঙ্গে সভাপতির কোনও ব্যক্তিগত আলাপচারিতা বা আলাদা বৈঠক হয়নি। রাজ্য বিজেপির কোর কমিটির বৈঠক এবং সাংসদ, বিধায়কদের সঙ্গে নড্ডার বৈঠকে নিয়মমাফিক হাজির ছিলেন দিলীপ। সেখানেও নাকি তিনি বিশেষ কথা বলেননি।
সাধারণত তিনি সাংগঠনিক বৈঠকে সরব থাকলেও গত শনিবার ও রবিবার নিউ টাউনের হোটেলে বৈঠকে চুপচাপই ছিলেন। যা দেখে অনেকেরই মনে হয়েছে, দিলীপবাবু কিছুটা ‘অভিমানী’ হয়ে রয়েছেন।
