
কলকাতা, ২৫ সেপ্টেম্বর: নিয়ন্ত্রণে কলকাতার চাঁদনি চক এলাকার বৈদ্যুতিন সরঞ্জামের গোডাউনে বিধ্বংসী আগুন। রবিবার বিকালে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের তিনটি ইঞ্জিন। এরপর আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় আরও ৪টি ইঞ্জিন পৌঁছয়। পরে দমকলের আরও কয়েকটি ইঞ্জিন আসে। শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত, দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যা হতেই চাঁদনি চক এলাকায় বৈদ্যুতিন সরঞ্জামের একটি গোডাউন থেকে কালো ধোঁয়া বেরোতে শুরু করে। ঘটনাটি নজরে পড়তেই স্থানীয় বাসিন্দারা দমকলে খবর দেন। তারপর প্রথমে দমকলের ৩টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। কিন্তু, ঝিরঝিরে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ায় আগুনের লেলিহান শিখা আরও জ্বলে ওঠে। বেগতিক বুঝে দমকলের আরও ৪টি ঘটনাস্থলে যায় এবং দমকলকর্মীরা মুখে মাস্ক লাগিয়ে, মই বেয়ে উপরে উঠে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে আরও ৮টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুও। তারপর প্রায় ৪ ঘণ্টা ধরে দমকলকর্মীদের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানিয়েছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। তিনি বলেন, “আগুন যতটুকু আছে সেটা আটক করা গিয়েছে। চারদিকটাই বন্ধ, ভিতরে ধোঁয়া আটকে আছে। ফলে বেরোতে সময় লাগবে। তবে এখনও গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ।”
দমকলমন্ত্রী আরও বলেন, “আগামিকাল ফরেন্সিক টিম আসবে তদন্ত হবে। ততক্ষণ বিল্ডিং- এ কাউকে যেতে দেওয়া হবে না। আমরা চাই লোকে ব্যবসা করুক, কিন্তু আপৎকালীন পরিস্থিতির কথা মাথায় রাখেন না অনেকেই। ল্যাডারের ব্যবহার করা যায়নি। দমকল কর্মীদের যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে ভিতরে প্রবেশ করতে। তার ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে সমস্যা হয়।” প্রত্যেক ব্যবসায়ীকে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা মেনে ব্যবসা চালানোর আবেদন জানান মন্ত্রী।
