
হাওড়া, ৩০ ডিসেম্বর : বছর দুই আগেকার ছবি ফের ফিরল কলকাতার বুকে। ফের মুখ্যমন্ত্রীকে ঘিরে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান তুললেন বিজেপি কর্মীরা। হাওড়া স্টেশনে বঙ্গে ‘বন্দে ভারত’ এক্সপ্রেস সূচনার আগেই তাল কাটল।
বিজেপি কর্মীদের আচরণের প্রতিবাদ জানান দলেরই সাংসদ সুভাষ সরকার। তিনি সকলকে শান্ত হওয়ার জন্য ঘোষণা করেন। রেলমন্ত্রী নিজে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে হাত জোড় করে ক্ষমা চেয়ে নেন।রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব স্লোগান দেওয়া জনতাকে থামানোর চেষ্টা করেন। রেলের অন্যান্য পদস্থ আধিকারিকরাও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করেন। সে সময় গম্ভীর মুখে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে।
কিন্তু বিজেপি কর্মীদের এহেন আচরণে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী। তিনি মঞ্চে উঠলেন না। পিছনের সারিতে গিয়ে বসলেন। যদিও মূল অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। হাওড়ায় অতিথিদের জন্য তৈরি মঞ্চে বসেছিলেন বিজেপির সাংসদ, বিধায়করা। মুখ্যমন্ত্রী সেখানে পৌঁছতেই তাঁকে উদ্দেশ্য করে জোর গলায় ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান তুলতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। তা মুখ্যমন্ত্রীর কানে পৌঁছনো মাত্র তাঁর শরীরী ভাষা বদলাতে থাকে। বোঝাই যায়, অত্যন্ত বিরক্ত, ক্ষুব্ধ হচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শুক্রবার রাজ্যে প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেস যাত্রা শুরু করল। সেই উপলক্ষে রেলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। কিন্তু মায়ের প্রয়াণে তিনি আচমকা গান্ধীনগরে চলে যান। মায়ের শেষকৃত্যের পর এদিন নির্ধারিত সময়েই ভারচুয়ালি উপস্থিত থেকে হাওড়া স্টেশনের কর্মসূচিতে যোগ দেন মোদি। এদিন, হাওড়া স্টেশনে সশরীরে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রেলমন্ত্রী অশ্বিণী বৈষ্ণব-সহ, বিজেপির সাংসদ, বিধায়ক-সহ একাধিক নেতা, মন্ত্রী।
