
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ গত কয়েকদিন ধরেই কোলকাতার অভিজাত তাজবেঙ্গল হোটেলে অশান্তি চলেছে। সূত্রের খবর, শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্ব। হোটেল কর্তৃপক্ষের অনুরোধে পুলিশ হোটেল চত্তরে ১৪৪ ধারা জারি করতে বাধ্য হয়। প্রশ্ন উঠেছে,প্রাক্তন বনাম বর্তমান মন্ত্রীর 'দ্বন্দ্বে'ই কি এবার জেরবার হতে হচ্ছে তাজ বেঙ্গল হোটেলকেও?
ঘটনার সূত্রপাত মাসকয়েক আগে। হোটেলের এক মহিলা কর্মীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে কয়েকজন কর্মীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ৫ কর্মীকে সাসপেন্ড করে হোটেল কর্তৃপক্ষ। সাসপেন্ডেড কর্মীদের কাজে ফেরত নেওয়ার দাবি তোলে তাজ বেঙ্গল হোটেল কর্মীদের একাংশ। কিন্তু, অপর গোষ্ঠী তা মেনে নিতে রাজি হয়নি। গন্ডগোলের সূত্রপাত এখন থেকেই। ওই হোটেলের এক কর্মীকে বলতে শোনা যায়,'আমরা মদন মিত্রের লোক। নির্দিষ্ট কিছু লোক এখানে নিয়োগ করানোর জন্য ঝামেলা করছে। এখানে অবস্থা খুব খারাপ। এরা ববি হাকিমের লোক।' এই প্রসঙ্গেই ফিরহাদ হাকিম বলেন, ''তাজ বেঙ্গল আমাদের নিজেদের জায়গা সেখানে কারোর আসার দরকার নেই। এটা আমাদের লোকাল প্রবলেম। আমি ওখানে বরো চেয়ারম্যান ছিলাম, বিধায়ক ছিলাম, এখন মুখ্যমন্ত্রীর বিধায়ক এলাকা আমি দেখাশোনা করি। এটা আমরা মিটিয়ে দেবো বাইরে থেকে কারুর আসার দরকার নেই। সবকিছু মিটিয়ে দেবো।''
এদিকে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র বলেন,ওই হোটেলের অধিকাংশ কর্মী আমাকেই সভাপতি হিসাবে চায়। আমি ট্যাক্সি ইউনিয়ন করা লোক। যদি চাইতাম তাহলে তো মমতার বাড়িতে গিয়ে পা ধরে মন্ত্রিত্ব নিয়ে নিতে পারতাম। অভিষেক বলছে মানুষ যাকে বাছবে সেই প্রার্থী হবে, আর কেউ বলছে আমি নেতা হব। এটা হয়?' এরপরে মদনের সংযোজন, তাজ বেঙ্গল হোটেলের অধিকাংশ কর্মী আমাকে চায়। অভিষেক সে কথাই বলে চলেছেন।
