
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ পাকিস্থান আছে পাকিস্থানে। পাকিস্থানে কখনোই গণতন্ত্রের পূর্ণ বিকাশ ঘটে নি। ওখানকার সরকার কমবেশি মিলিটারি দ্বারা প্রভাবিত। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে জেলবন্দি করার চেষ্টা করে চলেছে সরকার। এই পরিস্থিতিতে নতুন সঙ্কট তৈরি হয়েছে পাকিস্থানে। পাঞ্জাবে সঠিক সময়ে নির্বাচন না করতে দিলে বর্তমান জোট সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক-ই-ইনসাফের চেয়ারম্যান ইমরান খান। এর আগে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট পাঞ্জাবে নির্বাচন দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন। এই অবস্থায় দেশবাসী নির্বাচন চাইছেন বলেই ইমরানের দাবি
ইমরান জানার,পাকিস্থান কিছুটা হলেই আর্থিক সঙ্কট থেকে কিছুটা মুক্ত হয়েছে। এক ভিডিও বার্তায় ইমরান খান বলেন, এখন পুরো জাতি আনন্দিত ও প্রস্তুত। আমরা যদি নির্বাচনের পক্ষে না দাঁড়াই তাহলে ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে
দেশটির সুপ্রিম কোর্টের তিন সদস্যের একটি বেঞ্চ সর্বসম্মতভাবে পাঞ্জাব এবং খাইবার পাখতুনখোয়ায় নির্বাচন বিলম্বিত করার জন্য পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনের (ইসিপি) পদক্ষেপকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছে। তাছাড়া তিন সদস্যের এই বেঞ্চটি আদেশ দিয়েছে আগামী ১৪ মে পাঞ্জাবে নির্বাচন দিতে হবে। আদালতের এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছে ইমরান খানের দল। কিন্তু সরকার এই মুহূর্তে নির্বাচন চাইছে না। ফলে ইমরান খান ক্ষুব্ধ। সূত্রের খবর,এদিকে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ ও ফেডারেল মন্ত্রিসভা সর্বসম্মতিক্রমে আদালতের রায় প্রত্যাখ্যান করেছে এবং রায়ের বিরুদ্ধে সংসদে একটি প্রস্তাব পেশ করতে প্রস্তুত রয়েছে। কিন্তু ইমরান স্পষ্ট জানিয়েছেন,পরাজয় নিশ্চিত জেনেই সরকার নির্বাচন করতে চাইছে না। কিন্তু তা হলে দেশে বিদ্রোহ শুরু করা হবে।
