International

2 years ago

International News:কবর দেওয়ার আগে কফিনের ভেতরেই নড়ে উঠল মৃতদেহ, ইকুয়েডরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা

The body moved inside the coffin before burial, sensational event in Ecuador
The body moved inside the coffin before burial, sensational event in Ecuador

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ হার্ট অ্যাটাক হওয়ার পর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করানো হয়েছিল ৭৬ বছর বয়সী বেলা মন্টোয়াকে। শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষার পর বেলা-কে ‘মৃত’ বলে ঘোষণা করেছিলেন আমেরিকার ইকুয়েডরের ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা। তার পর শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছিলেন তাঁর পরিবারের মানুষরাও। কিন্তু এ কি! প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর যে ঘটনা ঘটে গেল, বাস্তবিক দুনিয়ায় বোধহয় তা-কে মির‍্যাকেল-ই বলা যেতে পারে।

ইকুয়েডরের বাসিন্দা বেলা মন্টোয়ার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। শুক্রবার তাঁর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া হওয়ার কথা ছিল। তাঁকে কবর দেওয়ার সময় তাঁর শরীরের জামাকাপড় বদলে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তাঁর আত্মীয়স্বজনরা। কফিনের ভেতর শোয়ানো ছিল তাঁর দেহ। সেই দেহ উলটে দেখতে গিয়েই লাগল চমক! শোকার্তরা আশ্চর্য চোখে দেখলেন যে, মুখ হাঁ করে বেলা নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য হাঁপাচ্ছেন।

সঙ্গে সঙ্গে সব ক্রিয়াকর্ম বন্ধ করে দিয়ে বেলা মন্টোয়াকে নিয়ে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করান তাঁর পরিবারের সদস্যরা। তিনি বেঁচে থাকা সত্ত্বেও কীভাবে হাসপাতালের পক্ষ থেকে তাঁকে ‘মৃত’ বলে ঘোষণা করে দেওয়া হল, তার তদন্ত করার জন্য ইকুয়েডরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তরফে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

একটি বিবৃতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রক বলেছে যে, ৭৬ বছর বয়সি এই বৃদ্ধার কার্ডিও রেসপিরেটরি অ্যারেস্ট (cardio respiratory failure) হয়েছিল। তাঁর নিঃশ্বাস এবং হৃদযন্ত্রের কর্মক্ষমতা একেবারেই কমে গিয়েছিল এবং চিকিৎসকরা যখন সেই কর্মক্ষমতা আবার ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা করছিলেন, তখন বেলার শরীর সেই প্রচেষ্টায় আর সাড়া দেয়নি। তখনই কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে ‘মৃত’ বলে নিশ্চিত করেন।

তাঁর ছেলে, গিলবার রডলফো বালবেরান মন্টোয়া স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, তাঁর মাকে রাত ৯ টার দিকে ভর্তি করা হয়েছিল, এরপর দুপুরে একজন ডাক্তার এসে জানিয়েছিলেন যে, তিনি মারা গেছেন। এরপরেই মিসেস মন্টোয়ার দেহ নিয়ে এসে কয়েক ঘন্টার জন্য একটি কফিনে রাখা হয়েছিল। নিজের মা-কে আবার জীবিত অবস্থায় ফিরে পেয়ে গিলবার রডলফো অত্যন্ত আনন্দিত, তিনি জানিয়েছেন, “একটু ধীরে ধীরে আমি বুঝতে পারছি যে আসনে কী ঘটেছে। এখন আমি শুধু আমার মায়ের স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য প্রার্থনা করছি। আমি চাই তিনি বেঁচে থাকুন এবং আমার পাশে থাকুন।”

You might also like!