International

10 months ago

Thailand-Cambodia Conflict: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় উত্তেজনার বিস্ফোরণ — থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সংঘর্ষে প্রাণ গেল ১২ জনের!

Thailand-Cambodia Clash
Thailand-Cambodia Clash

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষ রূপ নিয়েছে কার্যত পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে। বুধবার রাতে থাই সীমান্তে কম্বোডিয়ান বাহিনীর রকেট হামলায় দু’জন থাই বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর, পাল্টা জবাবে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান দিয়ে কম্বোডিয়ার সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালায় থাইল্যান্ড। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুই পক্ষ মিলিয়ে অন্তত ১২ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনী জানায়, তাদের একটি F-16 যুদ্ধবিমান কম্বোডিয়ার সীমান্তে ঢুকে স্পেশাল মিলিটারি রিজিয়ন কমান্ডস ৮ ও ৯ ঘাঁটিতে লক্ষ্যভেদী হামলা চালায়। এই হামলায় ঘাঁটির গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি থাই পক্ষের। সেনা সূত্রে জানা যায়, অভিযানে অংশ নেওয়া সব যুদ্ধবিমান নিরাপদে থাই ভূখণ্ডে ফিরে এসেছে।  

কম্বোডিয়ার সরকার এই হামলার কথা স্বীকার করে থাইল্যান্ডের পদক্ষেপকে “নৃশংস ও অবৈধ সামরিক আগ্রাসন” হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। এক বিবৃতিতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী হুন মানেত বলেন, “কম্বোডিয়া শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষপাতী। কিন্তু এই আক্রমণের পরে আমাদের সামনে প্রতিরোধ ছাড়া আর কোনো পথ খোলা  নেই।” উল্লেখ্য, থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্তে 'এমারেল্ড ত্রিকোণ' নামের একটি এলাকা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছে। লাওস, কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের সীমান্ত মিলিত এই অঞ্চলে অবস্থিত বহু প্রাচীন মন্দির ঘিরে এলাকাবাসীর আবেগও প্রবল। এই ভূখণ্ডের মালিকানা নিয়ে ইতিপূর্বেও একাধিকবার সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ২০০৮ সালে এই এলাকাতেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছিল, যেখানে বহু প্রাণহানি ঘটে। চলতি বছরের মে মাসেও সীমান্ত সংঘর্ষে একজন কম্বোডিয়ান সেনা নিহত হন। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ল দুই দেশ।

এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলি। তবে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেটিই এখন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম উদ্বেগের বিষয়।

You might also like!