
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ চীন দেশে এমন এক ঘটনায় সকলেই বিস্মিত। ২০১৮ সালে সু মৌ নামে এ ব্যক্তি তিব্বতীয় ম্যাসটিভ ভেবে একটি পোষ্যছানা বাড়িতে নিয়ে আসেন। পোষ্যটি যত বড় হতে লাগল ততই সন্দেহ বাড়ল তাঁর। খুদের আবদারে বাড়িতে মিষ্টি কুকুরছানা নিয়ে এসেছিল এক চিনা পরিবার। তবে কিছু দিনের মধ্যেই সেই পোষ্যের ২৫০ পাউন্ড (প্রায় ১১৪ কেজি) ওজন দেখে চক্ষু চড়কগাছ তাঁদের। চারপেয়ে পোষ্য হঠাৎই হাঁটতে শুরু করল দুই পায়ে। ভাবছেন তো হলটা কী? বিস্ময়ে প্রতিবেশীদের ডেকে দেখায়।প্রতিবেশীরাও সন্দেহ প্রকাশ করে।
সন্দিগ্ধ মনে পোষ্যের মালিকের দিন যাপন শুরু হয়। পোষ্যটি যত বড় হতে লাগল ততই সন্দেহ বাড়ল তাঁর। ১১৪ কেজির পোষ্যকে যখন দু’ পায়ে হাঁটতে দেখেন, হুনান প্রদেশের বাসিন্দা সু মৌ হতবাক হয়ে যান! একটা বড় বাক্স ফল ও এক বালতি নুডলস একাই খেয়ে ফেলত সে। তিব্বতীয় ম্যাসটিভের ওজন খুব বেশি হলে ১৫০ পাউন্ড (প্রায় ৬৮ কেজি) হয়। তাহলে এর ওজন অত বেশি হচ্ছে কী করে? পোষ্যটি যতই বড় হচ্ছিল ততই ভালুকের মতো দেখতে লাগছিল। দেখলেই যেন ভয় লাগত, দাবি সু মৌয়ের। দু’ বছর পর তিনি নিশ্চিত হলেন, কুকুর নয়, আদতে ভালুক পুষেছেন তিনি! বাড়িতে বন্যপ্রাণী পোষা বেআইনি। তাই বন দফতরকে সে ভালুকটিকে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন। বন দফতর কর্মীরা যাচাই করে সু কে জানান, পোষ্যটি আদতে এশিয়ান ব্ল্যাক বিয়ার। প্রাপ্তবয়সে তার ওজন হবে প্রায় ৪০০ কেজি। সু-এর সম্মতিতে বন দফতের কর্মীরা ভালুকটিকে নিয়ে যান নিজেদের সঙ্গে। ইতিমধ্যে ওই পোষ্যের প্রতি একটা মায়া জন্মে গেছে ওদের। সিক্ত চোখে বন-দপ্তরকে ফিরিয়ে দেয় ওদের পোষ্যকে।
