Breaking News

 

Health

3 years ago

Acidity :ঘরোয়া উপায়ে বুক-জ্বালার কমাবেন কীভাবে, জানেন?

Acidity
Acidity

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ  অম্বল হল বুকের জ্বলন্ত সংবেদন। বুকে ব্যথা সাধারণত সন্ধ্যায় খাওয়ার পরে বা শুয়ে থাকাকালীন হয়ে থাকে। বেশিরভাগ মানুষ তাঁদের জীবনধারা পরিবর্তন করে এই সমস্যা নিরাময় করতে পারেন। তবে, অম্বল যদি ঘন ঘন বা তীব্র হয় তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে সন্ধ্যায় অতিরিক্ত খাওয়া এড়িয়ে যেতে হবে। অম্বল প্রতিরোধ করতে ধূমপানের অভ্যাস কমিয়ে ফেলতে হবে, স্ট্রেস এবং উদ্বেগের থেকেও অনেকসময় অম্বল হয়। এই সমস্যাটিকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে কফি, অ্যালকোহল, মশলাদার খাবার, চকোলেট, টমেটো-ভিত্তিক পণ্য, পেপারমিন্ট এবং কার্বনেটেড পানীয়ের অত্যধিক ব্যবহার। তাই অতি সত্বর বুক জ্বালার উপশম ঘটাতে চাইলে কিছু ঘরোয়া উপায় মেনে চলতে হবে।

অম্বলের উপসর্গ বা বুক জ্বালার লক্ষণগুলি প্রচণ্ড অস্বস্তি সৃষ্টি করে। যখন পাকস্থলীর অ্যাসিড ছড়িয়ে পড়ে তখন এটি শুরু হয়। বুকে জ্বলন্ত অনুভূতি কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘন্টা স্থায়ী হয়। অম্বল হলে শোয়ার সময় বুকে ব্যথা হতে পারে। গলা জ্বালাপোড়া করে। গিলতে অসুবিধা হয়। গলার পিছনে অম্লীয়, টক বা নোনতা স্বাদ পাওয়া যায়।

অম্বলের জন্য কার্যকর ঘরোয়া উপায়গুলি

 ১) পাকা কলা- অম্বল হলে একটি পাকা কলা খান কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম রয়েছে যা পাকস্থলীর অ্যাসিডকে প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়। তাই খাদ্যতালিকায় পাকা কলা বেছে নিতে ভুলবেন না। 

২) ডায়েট চুইংগাম- চিনি-মুক্ত গাম চিবিয়ে নিন কারণ এটি লালা উৎপাদন বাড়ায়। লালা গিলতে সাহায্য করে এইভাবে অ্যাসিডের মাত্রা কম রাখে এবং বুকজ্বালার সমস্যা সমাধান করে।

 ৩) ট্রিগার খাবার এড়ানোর জন্য একটি খাদ্য তালিকা বজায় রাখুন- উপরে উল্লিখিত খাবারগুলিকে চিহ্নিত করুন যা বুকজ্বালার সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। এটি একটি খাদ্য চার্ট প্রস্তুত করে পদ্ধতিগতভাবে করা যেতে পারে।

 ৪) অল্প পরিমাণে এবং ধীরে ধীরে খান- বেশি পরিমাণে খেলে তা অস্বাভাবিকভাবে ভালভের উপর চাপ দেয় যা অ্যাসিডিটির দিকে পরিচালিত করে। তাই অল্প পরিমাণে খান এবং খাবার ধীরে ধীরে চিবিয়ে খান।

 ৫) টাইট-ফিটিং জামাকাপড় এড়িয়ে চলুন- টাইট বেল্ট, জামাকাপড় এবং আন্ডারগার্মেন্ট পেটের উপর চাপ দেয় এইভাবে বুকজ্বালার লক্ষণগুলিকে বাড়িয়ে তোলে। 

৬) তাড়াতাড়ি খেতে হবে- ঘুমাতে যাওয়ার ৩ ঘন্টা আগে খান, কারণ পেট ভরে খেয়ে শুয়ে থাকলে অম্বল হতে পারে।

 ৭) উপযুক্ত ঘুমের অবস্থান- বাম দিকে ঘুমানোর চেষ্টা করুন কারণ এটি হজমে সাহায্য করে এবং পেটে অ্যাসিড রিফ্লাক্স প্রতিরোধ করে। ঘুমানোর সময় আপনার মাথা এবং বুক আপনার পায়ের চেয়ে উঁচু হতে হবে। 

৮) ওজন কমাতে হবে- আপনার ওজন বেশি হলে ওজন কমানোর চেষ্টা করতে হবে কারণ অতিরিক্ত ওজন পেটে অতিরিক্ত চাপ দেয় ফলে বুকজ্বালার ঝুঁকি থাকে। 

৯) ধূমপান ছেড়ে দিতে হবে- ধূমপান বন্ধ করে দিতে হবে, কারণ ধূমপান লালা উৎপাদনের পরিমাণ কমিয়ে দেয় ফলে পেটে অ্যাসিড তৈরি হয়। 

১০) চাপমুক্ত হতে হবে- এই পুরো প্রক্রিয়াটি সহজ করার জন্য চাপ কমিয়ে দিন।





You might also like!