Breaking News
 
Chinmoy Prabhu: চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবিতে কলকাতায় ফের বিক্ষোভ, সন্ন্যাসীদের মিছিলে পুলিশি বাধায় উত্তেজনা Flydubai Attack: ৯/১১-র পর বিমানে ‘অস্ত্র’ নিয়ে বড় বদল, সেই নিয়মের সুযোগেই জঙ্গি হামলা? প্রকাশ্যে সরকারি বিবৃতি Siliguri Cow Smuggling Row: গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মৃত্যু যুবকের, ভাঙচুর একাধিক গাড়ি, উত্তেজনা WB Special Ration Package: পুজোর আগে রেশনে ‘ফেস্টিভ প্যাকেজ’! অর্ধেক দামে ময়দা-চিনি-সুজি, জানুন বিস্তারিত Suvendu on Mamata : নন্দীগ্রামে মমতার চোট নিয়ে ফের তদন্তের নির্দেশ, রিপোর্ট হাতে শুভেন্দু, ভোটের পর শুরু তদন্ত প্রক্রিয়া Bayron Biswas: বাড়িতেই অগ্নিদগ্ধ ঋতব্রতপন্থী বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস, শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক

 

Country

2 weeks ago

Delimitation Bill, 2026: আগামী সপ্তাহেই ফের সংসদে অধিবেশন? ডিলিমিটেশন বিল পাশ করাতে তৎপর মোদি সরকার

India's New Parliament Building
India's New Parliament Building

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ডিলিমিটেশন বিল পাশ করাতে ফের নজিরবিহীন পদক্ষেপের পথে হাঁটতে পারে মোদি সরকার। সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহেই ফের বসতে পারে সংসদের অধিবেশন। একটি সংবাদমাধ্যমের দাবি, পিতৃপক্ষ শুরু হওয়ার আগেই এই গুরুত্বপূর্ণ সংবিধান সংশোধনী বিলটি পাশ করিয়ে নিতে চাইছে বিজেপি। সেই লক্ষ্যেই তিন দিনের একটি অধিবেশন ডাকার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে এটিকে আলাদা করে বিশেষ অধিবেশন বলা হচ্ছে না। কারণ প্রস্তাবিত এই অধিবেশনকে বাদল অধিবেশনেরই বর্ধিত অংশ হিসেবে গণ্য করা হবে। খাতায়-কলমে এখনও শেষ হয়নি সংসদের বাদল অধিবেশন। ফলে সেই অধিবেশনের মেয়াদ বাড়িয়েই ডিলিমিটেশন বিল পাশ করানোর উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে সূত্রের দাবি। 

আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে যাবে পিতৃপক্ষ। ওই এক পক্ষ কালে কোনও শুভকাজ বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া এড়িয়ে যেতে দেখা যায় বিজেপি নেতৃত্বকে। তাই পিতৃপক্ষের দু’দিনের বিশেষ অধিবেশন ডেকে সরকার লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস বিলটি পাশ করিয়ে নিতে পারে বলে জল্পনা শুরু হয়েছে। বাদল অধিবেশন শেষ হয়ে যাওয়ার প্রায় পাঁচ সপ্তাহ পরেও অধিবেশন শেষের বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি কেন্দ্র। সূত্রের খবর, সরকার চাইছে পিতৃপক্ষের আগেই ৩ দিনের জন্য ফের অধিবেশন ডেকে ডিলিমিটেশন বিলটি পাশ করাতে। ১৩ আগস্ট লোকসভা ও রাজ্যসভা উভয়ই অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি করা হয়েছিল। সাধারণত, পরবর্তী তিন থেকে চার দিনের মধ্যেই অধিবেশনটি আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। এখনও পর্যন্ত বাদল অধিবেশন স্থগিতের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত বা মূলতবি করা হলেও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন বা অবসানের ঘোষণা না আসায় আইনিভাবে অধিবেশন শেষ হয়নি।

এনডিএর একাধিক শরিক দলের নেতার দাবি, সরকার বিশেষ অধিবেশনের প্রস্ততি নিচ্ছে। এমনকী ডিলিমিটেশন বিল পাশ করাতে যে সংখ্যাবল দরকার, সেটাও সরকার জোগাড় করে ফেলেছে। বিরোধী শিবিরকে খানিকটা অন্ধকারে রেখেই খুব অল্প সময়ের মধ্যে বিলটি পেশ করতে পারে কেন্দ্র। সরকারি শিবিরের একাধিক সূত্রের দাবি, ডিএমকে শেষ পর্যন্ত বিলটির বিরোধিতা না করলে সরকারের পক্ষে প্রয়োজনীয় সংখ্যার অনেকটাই জোগাড় হয়ে যাবে। তবে তাতেও পুরো অঙ্ক মিলবে না। তাই কয়েকজন বিরোধী সাংসদের ক্রস ভোটিং অথবা ভোটদানে বিরত থাকার সম্ভাবনাকেও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

আসন পুনর্বিন্যাস বিল পাশের জন্য প্রয়োজন সংবিধান সংশোধনী। সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠতায় কাজ হবে না, চাই দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন। লোকসভায় সংখ্যাটা ৩৬০। এই মুহূর্তে সরকারিভাবে এনডিএর হাতে রয়েছে ৩১৭ জন সাংসদের সমর্থন। ইতিমধ্যেই একবার ব্যর্থ হয়েছে এই বিল পাশের প্রচেষ্টা। আবারও সেটা হোক, মোটেই চাইছে না মোদি সরকার। তাই পাঁচ বিধানসভায় ভোট মেটার পর থেকেই একাধিক দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বিজেপি।

You might also like!